নতুন বছরে বুড়ো সাধু সাজবেন ঋত্বিক

মাছের ঝোলের সেই ঘরছাড়া ঋত্বিক সম্পূর্ণ যোগীর বেশে। কোনও মুরগি মটনের স্বাদ নেবেন না তিনি। নতুন বছর তিনি শুরু করতে পারেন বুড়ো সাধুর বেশে। তবে নামাবলি গায়ে দিয়ে দাড়ি নিয়ে কোনও ‘মছলি বাবা’ সাজবেন না ঋত্বিক চক্রবর্তী। বুড়ো সাধু নামে একটি ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি।

ড্রামা থ্রিলারের এই ছবিতে ঋত্বিক চক্রবর্তীর সঙ্গে অভিনয় করবেন প্রজাপতি বিক্সুট খ্যাত ইশা। তবে ঋত্বিকের চরিত্রটি বেশ ঘোরালো বলেই জানাচ্ছেন বাংলা ছবিতে অভিষেক করতে চলা পরিচালক সৌভিক গুহ। তিনি জানিয়েছেন , “ঋত্বিক গল্পটা শুনেই দারুন ইন্টেরেস্ট পেয়েছিল। নিজে থেকেই কাজ করতে আগ্রহ দেখিয়েছিল।” ওরকম একজন অভিনেতাকে ছবিতে কে না চায়। সৌভিক ভুল করেন নি।

 

ঋত্বিক আবির নামের চরিত্রে অভিনয় করছেন। কেমন সেই চরিত্র ? সৌভিক জানিয়েছেন, “ একটি মফস্বলের ছেলের গল্প। জীবনের তাঁর দুটি ফেজ রয়েছে। একটি ছাত্র জীবন , অপরটি কর্মজীবন।” কিন্তু দুই জীবনেই তাঁকে তারা করে বেরিয়েছে কেবল ব্যর্থতা। সেখানে প্রেম থেকে পড়াশোনা বা ফিল্ম ডিরেক্টর হয়ে ওঠা কোণটাই ঠিক পথে এগোয়নি। কোনও না কোনও বাধা এসে থামিয়ে দিয়েছে তাঁকে। ফলত মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে সে। সব মিলিয়ে একটা সময় পর আবির পর্দার ঋত্বিক খ্যাপাটে ধরনের হয়ে ওঠে। তবু চলতে থাকে সফল হওয়ার চেষ্টা। চলতে থাকে পিছন থেকে টেনে রাখা সাফল্যকে আটকে রাখার ভূতকে খোঁজার চেষ্টা। এমত অবস্থাতেই এক সন্ধায় একটি ঘটনা ঘটে যা বদলে দেয় আবীরের জীবনের মোড়। প্রত্যেকটি সমীকরণ মিলে যায়। কোথায়, কি কারনে কেন আটকে ছিল জুবন সব বলে দেয় এক সন্ধ্যার আকস্মিক ঘটনা।

 

পরিচালক জানিয়েছেন, সবশেষে ছবির মেসেজ অত্যন্ত পজেটিভ এবং শিক্ষণীয়। ঋত্বিকের ব্যস্ত সময়ের মধ্যে থেকে সময় বার করে অক্টোবর থেকে জানুয়ারির বিভিন্ন সময়ে শুটিং হয়েছে। ছবি এখন এডিট টেবিলে। যা মুক্তি পাবে আগামী বছরের মার্চ মাস নাগাদ।

সৌভিক জানিয়েছেন, “আমি নিজেও প্রপার ডিরেক্টর ছিলাম না। মার্কেটিং এর কাজ করতে করতে কোনও জায়গায় ক্রিয়েটিভ একটা মাইন্ড ছিল। কিছুটা নিজের জীবনের গল্পকে খুঁজতে গিয়ে বুড়ো সাধু চলে আসে।” কিছুটা কালচক্রের আবর্তে ঘুরছে ছবির গল্পের ধাঁচ। যা নিয়ে খুব কমই কাজ হয়েছে বাংলা ছবিতে। সেদিক থেকে সত্যি অন্যরকম কিছু বলবে ছবি তা বলাই যায়।

your add hare

Comments are closed.

     আরো খবর

Our Like Page