জন্ম নিলো ‘মৎস্যকন্যা’

জন্ম নেয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবরের শিরোনাম হয়েছে কলকাতার ‘মৎস্যকন্যা’। কিন্তু চার ঘণ্টা পর আর বাঁচানো জায়নি শিশুটিকে। সাধারণত এক লাখে এমন একটি শিশুর জন্ম হয়ে থাকে। রূপকথায় বর্ণিত মৎস্যকন্যাদের মতো কোমর থেকে শরীরের নিচের অংশ একত্রিত হয়ে থাকায় শিশুটির লিঙ্গ নির্ধারণ করা যায়নি।

কলকাতায় মুসকুরা বিবি নামের যে নারী ওই শিশুটির জন্ম দিয়েছেন তিনি আগে আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান করাননি। তাই নিজের সন্তানের অবস্থাও জানতে পারেননি। চিকিৎসকরা শিশুটির এই অবস্থার নাম দিয়েছেন ‘সিরিনোমেলিয়া’ যা মারমেইড (মৎসকন্যা) সিনড্রোম হিসেবে পরিচিত।

বুধবার সকালে কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে শিশুটির জন্ম হয়। হাসপাতালের অবসটেট্রিকস ও গাইনোকলজি স্পেশালিস্ট ড. সুদীপ সাহা বলেন, অনাগত সন্তানের যত্ন নিতে বিবি ও তার স্বামীর কাছে যথেষ্ট অর্থ ছিল না। এই জন্য শিশুটি এ অবস্থায় জন্ম নিয়েছে।

গত বছরও ভারতের উত্তর প্রদেশে এমন একটি শিশু জন্মেছিল।

মাত্র ১০ মিনিটের মাথায় শিশুটি মারা যায়। সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট

your add hare

Comments are closed.

     আরো খবর

Our Like Page