মারা গেছেন হারিছ চৌধুরী

বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী যুক্তরাজ্যের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। সাড়ে তিন মাস আগে তার মৃত্যু হয়েছে বলে বুধবার (১২ জানুয়ারি) সকালে জানিয়েছেন তার চাচাতো ভাই, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আশিক চৌধুরী।  আশিক চৌধুরী জানান, যুক্তরাজ্যের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে হারিছ চৌধুরী মারা গেছেন।

তিনি জানান, আগস্ট মাসে হারিছ চৌধুরী লন্ডনে করোনা আক্রান্ত হন। এরপর তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাসায়ও ফেরেন। কয়েকদিন পর তার করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। করোনার ধকল কাটিয়ে উঠলেও তার ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি হয়।

এতে তার ফুসফুসের সংক্রমণ বেড়ে যায়। পরবর্তীতে আবারও তাকে হাসপাতালে ভর্তি করালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।সে সময় হারিছ চৌধুরীর মৃত্যুর সংবাদটি তার মেয়ে মুন্নু চৌধুরী ফোনে দেশে জানালেও তাদের বারণ করার কারণে খবরটি কাউকে জানাননি, বলেন আশিক চৌধুরী।

তিনি জানান, স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে নিয়ে হারিছ চৌধুরী স্থায়ীভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাস করতেন। তার ছেলে জনি চৌধুরী পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার। আর মেয়ে মুন্নু চৌধুরী ব্যারিস্টার।

আশিক চৌধুরী জানান, হারিছ চৌধুরী দুই ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। করোনার কারণে তার রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে পুরো ফুসফুস সংক্রমিত হয়ে পড়ে। ফলে করোনা নেগেটিভ হওয়ার পরও তিনি ফুসফুস জটিলতায় ভোগেন।উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর হারিছ চৌধুরীর যাবজ্জীবন সাজা হয়।