আধুনিক সাংবাদিকতায় অনলাইন এক্টিভিটিজ

খুব নিকট অতীতেই ঢাকা সহ সমগ্র বাংলাদেশে একটা চিত্র পরিলক্ষিত হত। রাস্তার মোড়ে মোড়ে, বাস স্ট্যান্ড ও টার্মিনালে, রেল স্টেশন কিংবা ট্রেনে, ঘাট বা লঞ্চে পত্রিকার হকারদের চিৎকার বা ডাকাডাকি। তাজা খবর বা আজকের গরম পড়ার উদাত্ত আহবান। কিন্তু এই দৃশ্য ইদানিং যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। মধ্যরাত থেকে ঢাকার দৈনিক বাংলার মোড়ে খবরের কাগজ প্যাকেট হয়ে সারাদেশে পরিবহনের তোড়জোড় যেমন দেখা যায়না তেমনি খুব ভোর বেলায় সাইকেলের টুংটাং শব্দ করে হকারদের ছুটাছুটিও তেমন দেখা যায় না।

এই চিরাচরিত দৃশ্যগুলো হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়ার পিছনে কাজ করেছে অনলাইন সংবাদ মাধ্যম। এক কথায় ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া কাগজের সংবাদ মাধ্যমকে দিন দিন তিরোহিত করছে। এই জায়গাটি খুব দ্রুত দখল করে নিয়েছে টেলিভিশন এবং স্মার্ট মোবাইল ফোন। মানুষ এখন বাসি খবর দেখতে বা পড়তে চায়না। মানুষ চায় তাৎক্ষণিক সংবাদ। আর তাৎক্ষণিক সংবাদের পিছনে কাজ করছে আধুনিক সাংবাদিকতায় অনলাইন এক্টিভিটিজ।

সময়ের সাথে সাথে যেমন প্রযুক্তির সম্প্রসারণ হচ্ছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে আধুনিক হচ্ছে সাংবাদিকতার ধরন ও মাধ্যম। এটা বলা যায়, পৃথিবী অত্যাধুনিকতার যুগে মূলত প্রবেশ করেছে ইন্টারনেট আবিস্কারের মধ্য দিয়ে। এর আগে পৃথিবীর ব্যপ্তি ছিলো সীমাহীন। কিন্তু ইন্টারনেট যখন ১৯৫০ সালে আবিষ্কার হলো, তখন হাতের মুঠোয় চলে আসলো বিশ্ব। আর পৃথিবীটাকে বলা হলো বিশ্ব গ্রাম।

আমেরিকার জে সি আর লিকুইডার ১৯৬৭ সালে একটি নেটওয়ার্ক সংস্থা তৈরি করে। যার নাম দেয়া হয়েছিল ইন্টার গ্যালাকটিক নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্ক তৈরির মূল উদ্দেশ্য ছিল আমেরিকাতে যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন পরমাণু হামলা করে ফেলে তার পরেও যেন এই নেটওয়ার্ক কাজ করতে পারে। সেইখান থেকেই তৈরি হয় ডি আর পা নেট। সর্বপ্রথম এর সাহায্যেই চারটি কম্পিউটারের মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করা যেত। আর এটা তখনকার সময়ে খুব জটিল একটি কাজ ছিল। এই চারটি কম্পিউটার থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যেই এই নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি লাভ করে পুরো আমেরিকাতে। আর তখন থেকেই ইন্টারনেটের সূচনা হয়। এই সময় পর্যন্ত ইন্টারনেটে ক্যাবল ডাটা ট্রান্সফার, ক্যালকুলেটিং, টুঁ ডি গেম এর জন্যই ব্যবহার করা যেত।

১৯৮৪ থেকে ড. জন পস্টাল ডমিন এক্সটেনশন এর তৈরি করেন। যেটিকে আমরা বর্তমানে ডট কম, ডট ওআরজি, ডট ইন নামে চিনে থাকি। এর সাহায্যে ওয়েবসাইট তৈরি করা হতো। কিন্তু সমস্ত ওয়েবসাইট শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৮০ সালের শেষের দিকে শুরু করে ১৯৯০ সালের শুরুর দিক পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়ে যায় (ইন্টারনেটের ইতিহাস)। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ব্রুস পারেলউ ইলিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়’ ১৯৭৪ সালে প্লাটো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ‘অনলাইন অনলি’ নামক একটি প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র বা সাময়িকী প্রকাশ করে। এরপর ১৯৮৭ সালে ব্রাজিলের সরকার নিজ মালিকানায় ‘জর্নালদোদিঅ্যা’ প্রকাশ করে। নব্বইয়ের দশকের শেষার্ধে আমেরিকা শতাধিক অনলাইন সংবাদপত্র চালু করে একটি বিপ্লব ঘটায়। তখন থেকেই সারা বিশ্বে অনলাইন সংবাদপত্র বিস্তার লাভ করে।

আর বাংলাদেশে অনলাইন সংবাদপত্র আসে ২০০৪ সালে। এদিক থেকে বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র শুরু করতে প্রায় ১৫ বছর পিছিয়ে যায়। দেশের প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিডিনিউজ২৪.কম। বিশিষ্ট সাংবাদিক আলমগীর হোসেন ছিলেন এর প্রধান সম্পাদক ও অন্যতম উদ্যোক্তা । তবে, আর্থিক সংকটের মধ্যে ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে বিডিনিউজের মালিকানা কিনে নেন বিবিসি’র সাবেক সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদী। এখান থেকেই বোঝা যায় আমাদের দেশের সংবাদপত্রগুলো কতটুকু স্বচ্ছল। এভাবেই বাংলাদেশে অনলাইন সংবাদপত্রের পথচলা শুরু হয়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বে ডোমেইন কেনা অনলাইন সংবাদপত্রের সংখ্যা প্রায় ১.৫ বিলিয়ন বা ১৫০ কোটি। বর্তমানে সচল রয়েছে প্রায় ২০০ মিলিয়ন বা ২০ কোটি। তথ্য মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে নিবব্ধন করতে দেওয়া অনলাইন সংবাদপত্রের সংখ্যা ২ হাজার ২১৭টি । কিন্তু অনিবন্ধিত সংবাদপত্রের সংখ্যা অর্ধ লাখেরও বেশি। ক্রমেই বাড়ছে অনলাইন সংবাদপত্রের সংখ্যা। কিন্তু এরা কতটুকু সংবাদপত্রের নীতি নৈতিকতা মেনে চলছে, সেটি দেখার বিষয়।

অনলাইন সাংবাদিকতার প্লাটফর্ম যত বাড়ছে, চ্যালেঞ্জ তত বেড়ে চলছে। এখন সাংবাদিকতাটা অনেকটা ব্যক্তিকেন্দ্রিক, ধর্মকেন্দ্রিক, গোত্র, বর্ণ এমনকি প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক হয়ে গেছে। এখন ইচ্ছা করলে নামী বেনামিভাবে জঙ্গি সংগঠনগুলো প্রকাশ্যে তাদের মতাদর্শকে অনলাইন সাংবাদিকতার প্লাটফর্মে ব্যবহার করতে পারছে। তবে, এগুলোকে ব্যবহার না বলে, অপব্যবহার বলাই শ্রেয়। এখন আর কোনকিছু গোপন থাকছে না। পর্ণগ্রাফী ও মাদক সেবন সাংবাদিকতার আশ্রয় নিয়েছে। তাতে নষ্ট হচ্ছে আজকের যুব সমাজ। ওঠে যাচ্ছে মানুষের মূল্যবোধ। তবে, আশার কথা হচ্ছে, শিক্ষিত বেকার শ্রেণির জন্য তৈরি হয়েছে কর্মসংস্থান। মুহুর্তেই খুব সহজে মানুষ দৈনন্দিন ঘটনা জানতে পারছে। মাত্র ১ দশক আগেও কোন খবর পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতো পরের দিনের; এখন আর তা করতে হয় না। প্রায় সবার হাতেই স্মার্ট ফোন, সবার হাতেই মুহুর্তের নিউজ।

এখন এই অনলাইন সাংবাদিকতার নবতর রূপ হচ্ছে মোজো বা মোবাইল জার্নালিজম। এখন আর লিখিত, ভিডিও বা অডিও নিউজ করার জন্য অফিসে বা মিডিয়া হাউজে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। এখন সাংবাদিকদের স্মার্ট ফোনটিই অফিস। যেকোন দুর্গম স্থান থেকেও ফোনের মাধ্যমে খবর প্রচার করা সম্ভব। তবে, প্রিন্ট বা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের তুলনায় অনলাইন সাংবাদিকদের চ্যালেঞ্জ বেশি। এক সেকেন্ড দেরি করা সম্ভব নয়। কারণ, দেরি করলেই অন্যান্য পত্রিকার থেকে পিছিয়ে পড়বে। এখানে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা। আর এই প্রতিযোগিতা করতে গিয়েই মাঝে মাঝে অসত্য নিউজ প্রচার করে ফেলে অনলাইন পত্রিকাগুলো। অনলাইন পোর্টালের কোন নীতিমালা নেই, আর যতটুকু রয়েছে, তার যথাযথ প্রয়োগ নেই। অনলাইন পত্রিকাগুলো অনেকটা ‘দুষ্টু বাছুরের মতো’; একে দায়িত্বশীল করে তোলা দরকার। আর আমরা যে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা বলি, সেই স্বাধীনতাও দায়বদ্ধতা দ্বারা সীমাবদ্ধ এ কথাও মনে রাখা দরকার।

এই যুগ অনলাইনের। প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার যুগ প্রায় শেষ। এখন এগুলোর হাত, পা গুটানোর সময় চলে আসছে। যান্ত্রিক জীবনে মানুষের অবসরের সময় নেই ঘরে বসে টিভি দেখার, পত্রিকা পড়ার। এখন হাতের স্মার্ট ফোনটিই টিভি, পত্রিকা। এখন সময় অনলাইন মিডিয়াকে সাজানোর। যত তাড়াতাড়ি অনলাইন মিডিয়া একটি আদর্শিক গতিধারায় পরিচালিত হবে, তত তাড়াতাড়ি দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত ও নিরাপদ হবে, দেশের মানুষের সাংবাদিকতার উপর আস্থা থাকবে। তা না হলে এখন যে হ-য-ব-র-ল অবস্থা, সোশ্যাল মিডিয়ার হাতে অনলাইনের ভবিষ্যৎ দুমড়ে মুচড়ে যাবে। ক্ষীণ হয়ে যাবে অনলাইন মিডিয়ার পথচলা। অনেকেই অনলাইন মিডিয়াকে পরগাছা মাধ্যম বলে থাকেন। পরগাছা মাধ্যম বলতে এটি সোশ্যাল মাধ্যম ফেইসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

অনলাইন মিডিয়াকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য কিছু বিষয়ের দিক নজর রাখা অতীব জরুরি। মিডিয়ার এই ধারাটি আমাদের দেশে একযুগ সময়ের মধ্যে অনেকটা এগিয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় আর্থিক সঙ্গতির দিকটি নিশ্চিত হয়নি। একটি মিডিয়াকে মধ্যম পর্যায়ে ভালো করে চালাতে হলেও যে অর্থের প্রয়োজন, তার একশো ভাগের ১০ ভাগও অনেক অনলাইন পত্রিকাগুলো ইনকাম করতে পারছে না। এজন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন পাওয়ার সাথে সাথে অর্থ উপার্যনের অন্যান্য দিক নিশ্চিত করা। অনলাইন মিডিয়া যেহেতু প্রযুক্তি নির্ভর, এজন্য এখানকার সকল কর্মীকে সকল ধরনের প্রযুক্তির বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলাও একটি চ্যালেঞ্জ। অনলাইন জার্নালিজম মানেই মোবাইল জার্নালিজম (মোজো)। সুতরাং সকল রিপোর্টার ও সহ-সম্পাদকদের মোবাইল জার্নালিজমের আদ্যপান্ত জানা জরুরি। কীভাবে মোবাইলে নিউজ লিখে আপ দেওয়া, ভিডিও বা ছবি এডিট করে ব্যবহার করা। আইটি’তে দক্ষ হওয়া। একটি মার্কেটিং বিভাগ থাকা, যারা মিডিয়ার অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন নতুন দিক খুঁজে বের করবে। ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইন মিডিয়াতে বিজ্ঞাপন দেওয়ার ক্ষেত্রে আন্তরিক হতে হবে।

বর্তমানে মানুষ টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়ার চেয়ে অনলাইনই বেশি দেখে। নিরাপত্তার জন্য অনলাইন মিডিয়াগুলোকে একটি প্লাটফর্ম বা কোন সংগঠন তৈরি করা দরকার। অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের প্রেসক্লাবের সদস্যপদ পেতে আন্তরিক হওয়া। অনলাইনের একটি নিজস্ব নীতিমালা থাকবে, চাকরির নিশ্চয়তা থাকবে। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বেতন কাঠামো থাকা। আর এগুলো যতটুকু রয়েছে, তা কার্যকর করা। অনলাইন সাংবাদিকদের একটা নির্দিষ্ট সময় পর পেনশনের ব্যবস্থা করা। অনেক সময় প্রশাসন অনলাইন সাংবাদিকদের অপমান করেন, এদের অনেক সময় সাংবাদিকই মনে করেন না, এই সংস্কৃতিটা পাল্টানো সময়ের দাবি। প্রধানমন্ত্রীর বিট বা সচিবালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে অনলাইনকে সুযোগ দেওয়াও অতীব জরুরি। অনলাইন পত্রিকাগুলো প্রায়ই কপিপেস্ট নিউজ পাবলিশ করে, এই সংস্কৃতি থেকে অনলাইনকে বের হতে হবে। এগুলো যদি নিশ্চিত করা যায়, তাহলেই কেবল একটি সুষ্ঠু সাংবাদিকতা আশা করা যায়।

অনলাইন শব্দের অর্থ হলো, যেটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোনের সাথে সংযুক্ত। আর সাংবাদিকতা মানে হলো, কোন তথ্য বা সংবাদ সংগ্রহ করা, লেখা এবং তা প্রচার করা। তাহলে, অনলাইন সাংবাদিকতার অর্থ দাঁড়ালো, কোন তথ্য বা সংবাদ সংগ্রহ করে এনে লিখে তা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সম্প্রচার করা।

এরপরে রয়েছে চ্যালেঞ্জ। চ্যালেঞ্জ বলতে গেলে বোঝা যায় প্রতিযোগিতা, নানা ধরনের বাধা-বিপত্তি, বিধি-নিষেধ ইত্যাদি বিষয়। এখন সম্প্রচার অনেকভাবেই হতে পারে, সেটা লিখিত আকারে, ভিডিও আকারে বা অডিওর মাধ্যমে। মানুষ বৈশিষ্ট্যগতভাবে পড়ার চেয়ে দেখতে আর শুনতে বেশি পছন্দ করে, আবার আমাদের দেশে এখনও একটি বৃহৎ অংশ অক্ষরজ্ঞানহীন। তাই এই অডিয়েন্সের কাছে সংবাদ পৌঁছাতে হলে ভিডিও বা ইমেজ আকারে তুলে ধরতে পারলে বেশি সুবিধা হয়। আর এর অন্যতম মাধ্যম হলো অনলাইন সংবাদ মাধ্যম, যেখানে একই সাথে কম খরচে এবং মুহুর্তেই সব ধরনের নিউজ প্রকাশ করা সম্ভব।

খ্রিস্টপূর্ব ৪৯ সালে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের হাতে প্রাথমিক পর্বের সূচনা হলেও উপমহাদেশে কাগজে লেখা সংবাদপত্র বের হয় ১৭৮০ সালে ইংরেজ সাংবাদিক জেমস অগাস্টাস হিকির হাতে। প্রথম সংবাদপত্রের নাম ‘বেঙ্গল গেজেট’, যেটি ছিলো ইংরেজি ভাষায় লেখা। আর বাংলা ভাষায় সংবাদপত্র ছাপা শুরু হয় ১৮১৮ সালে ‘রঙ্গপুর বার্ত্তাবহ’-এর মাধ্যমে (বাংলা সংবাদপত্র ও বাঙালির নবজাগরণ)। এরপর ১৮৯০ সালে মার্কনি রেডিও আবিষ্কার করেন, কিন্তু সংবাদ সম্প্রচার শুরু হয় ১৮৯৮ সালে। এভাবে ১৯২৬ সালে টেলিভিশন আবিষ্কারের পর বিবিসি প্রথম সংবাদ প্রচার শুরু করে ১৯৩৬ সালে। এ থেকে বোঝা যায়, মূলধারার সাংবাদিকতার ইতিহাস খুব পুরনো।

লেখকঃ নজরুল ইসলাম খান। নির্বাহী সম্পাদক, কুইকনিউজবিডি.কম।

Back to top button