বাংলাদেশ ও ভারতের উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের উন্নয়ন একে-অপরের পরিপূরক। অনেক ভারতীয় এখন বাংলাদেশে কাজ করছেন। ভারতে বাংলাদেশ চতুর্থ বৃহত্তম রেমিট্যান্স প্রেরণকারী দেশ। আসামের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। আসামের খানাপাড়ার কৈনাধারা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৈঠকে দুই নেতা উভয় দেশের জনগণের স্বার্থে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে গতকাল আসামের রাজধানী গুয়াহাটিতে এশিয়ান কনফ্লুয়েন্স নামের একটি সংগঠনের আয়োজনে ন্যাচারাল আলায়েজ ইন ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারডিপেন্ডেনস (এনএডিআই বা নদী) শীর্ষক দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক করেন দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপরই জয়শঙ্কর জানান, যোগাযোগ, আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনায় বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠক আগামী জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৩০ মে সোমবার নয়াদিল্লিতে জেসিসির এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। জয়শঙ্কর বলেন, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অপরিহার্য ভূমিকা রয়েছে। আসন্ন জেসিসি বৈঠকে বিষয়গুলোর ব্যাপক পর্যালোচনা করা হবে। আব্দুল মোমেন জেসিসির বৈঠক প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আমার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আমরা মনে করছি, আগামী সোমবারের সভা পেছানো দরকার।

গুয়াহাটির এই সম্মেলন সরকারি পর্যায়ের না হলেও ভারতের একাধিক রাজ্যের সরকারি প্রতিনিধি, মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়ার ১২টি দেশের সরকারি প্রতিনিধি, রাষ্ট্রদূত বা নীতিনির্ধারকেরা এখানে যোগ দিচ্ছেন।

Back to top button