চার দিনের অভিযানে বন্ধ হলো ১১৪৯ অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক

চার দিনের অভিযানে সারা দেশে ১ হাজার ১৪৯টি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ পর্যন্ত সারা দেশে ১ হাজার ১৪৯টি অনিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে বন্ধ করা হয়েছে ২৮৬টি প্রতিষ্ঠান। যেখানে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় বন্ধ করা হয়েছে ১৩টি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া ঢাকার বাইরে বন্ধ করা ৮৬৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চট্টগ্রামে ২৮৬টি, রাজশাহীতে ১৩৫টি, রংপুরে ১৪টি, ময়মনসিংহে ১২১টি, বরিশালে ৬৫টি, সিলেটে ৩৫টি এবং খুলনায় রয়েছে ৩০৩টি।

২০১৮ সালের নভেম্বর থেকে অনলাইন পদ্ধতিতে বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু হয়। চার বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত এর আওতায় আসেনি সব বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এর আগে ২০২০ সালের ২৩ আগস্টের মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালের লাইসেন্স নবায়ন না করলে হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সে সময় করোনা মহামারি শুরু হলে জোরালোভাবে অভিযান চালানোর মধ্যখানেই তা থেমে যায়। দেশের বাইরে সিভিল সার্জন অফিস, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তারা ছাড়াও জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও অবৈধ হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। গত ২৬ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তিন দিনের মধ্যে অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা জারির পর গত ২৮ মে থেকে অভিযান শুরু হয়। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধসহ জরিমানাও করা হচ্ছে।

Back to top button