২৮ হাজার বছর আগেও সেক্স টয় ব্যবহৃত হত!

সেক্স বা যৌনতাকে বোধহয় আধুনিক সমাজই ট্যাবুতে পরিণত করেছে। এটা নিয়ে অবশ্য তর্ক চলতেই পারে। তবে জার্মানির উল্মে বেশ কয়েক বছর আগে গবেষকরা ২৮ হাজার বছর আগে ব্যবহৃত একটি সেক্স টয় খুঁজে পেয়েছেন।
sex3
দেখা গিয়েছে, মানুষ যখন ঠিক মতো গুহাবাসীও হয়নি, তখন থেকে সেক্স টয় ব্যবহার করত। এটি এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সব থেকে পুরনো সেক্স টয়ের নিদর্শন হিসাবে মনে করা হচ্ছে।

প্রায় ১৪ রকমের পাথর মসৃন করে ঘষে পুরুষের যৌনাঙ্গে আকারে তৈরি এই সেক্স টয়টি। নানা রকম গবেষণার পর সেটি এখন মিউজিয়ামে ঠাঁই পেয়েছে। অনলাইনেও এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ।

লন্ডনে দ্য ইনস্টিটিউট অফ সেক্সোলজি ওয়েলকাম কালেকশন নামে একটি প্রদর্শনীতে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সেক্স টয়, ভাইব্রেটর, নানা রকম ছবি এবং বিভিন্ন লেখনি তুলে ধরেছেন।

নামকরা সেক্সোলজিস্ট উইলিয়াম মাস্টার্স এবং ভার্জিনিয়া জনসন দীর্ঘ দিন ধরে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে এ সব আবিষ্কার করেন। ইংল্যান্ডের ডরচেস্টারে ডরসেট কান্ট্রি মিউজিয়ামে চক দিয়ে তৈরি একটি সেক্স টয় রাখা আছে যা খ্রিস্টপূর্ব আনুমানিক ২,৫০০ বছর আগে তৈরি। তুরস্কেও একটি পাথরের তৈরি সেক্স টয় পাওয়া গিয়েছে যা খ্রিস্টপূর্ব আনুমানিক ৬ হাজার বছর আগে তৈরি হয়েছে।

Back to top button