হোপের শতকে ক্যারিবীয়দের বড় জয়

পরিসংখ্যানের বিচারে নেদারল্যান্ডসের তুলনায় অনেক এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সে অনুযায়ী তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অস্বাভাবিক কিছু ঘটেনি। দাপট দেখিয়ে পিটাল সিলারের দলকে ডাকওয়ার্থ লুইস মেথডে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে ক্যারিবিয়ানরা। ব্যাট হাতে অসাধারণ ছিলেন শাই হোপ। দুর্দান্ত এক শতকের দেখা পেয়েছেন এই ওপেনার।

ভিআরএ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বৃষ্টির কারণে ম্যাচের আয়ু কমিয়ে ৪৫ ওভারে আনা হয়। আগে ব্যাট করে ২৪০ রানের পুঁজি পায় নেদারল্যান্ডস। ২৪৭ রানের নতুন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একবারের জন্যও ভুগতে হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। হোপের সেঞ্চুরির পাশাপাশি ফিফটি হাঁকান শামারাহ ব্রুকস ও ব্রেন্ডন কিং। ১১ বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত হয় সফরকারীদের।

উদ্বোধনী জুটিতেই জয়ের ভীত পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই ওপেনার হোপ ও ব্রুকস মিলে করেন ১২০ রান। ব্যক্তিগত ৬০ রানে লোগান ফন বিকের শিকার হন ব্রুকস। তার পরের বলেই গোল্ডেন ডাক মেরে ফেরেন ক্রুমাহ বোনার। নিকোলাস পুরানও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন। আরিয়ান দত্তের বলে বোল্ড হওয়ার আগে করেন মাত্র ৭ রান। ১৩ রানের ব্যবধানে তিন ব্যাটসম্যানকে হারালেও সেটা দলের জয়ে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। কিংকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন হোপ। খেলেন ১১৯ রানের ইনিংস। ১৩০ বলে ১২ চারের পাশাপাশি ২ ছয় মারেন ডানহাতি ক্রিকেটার। তার সঙ্গী কিংয়ের ব্যাট থেকে আসে ৫৮ রান। ফন বিক নেন দুই উইকেট।

মাঝারি সংগ্রহ দাঁড় করানো নেদারল্যান্ডসের শুরুটাও দারুণ হয়েছিল। ব্যক্তিগত ৪৭ রানে বিক্রমজিৎ সিং ফিরে যান। সেই সাথে ভাঙে স্বাগতিকদের ৬৩ রানের উদ্বোধনী জুটি। অপর ওপেনার ম্যাক্স ও ডাউড করেন ৩৯ রান। সর্বোচ্চ ৫৮ রান আসে তেজা নিডামানুরুর ব্যাট থেকে। বাকিদের কেউই ২০’র কোটায় পৌঁছাতে পারেননি। আকিল হোসেন ও কাইল মায়ার্সের শিকার দুটি করে উইকেট।

Back to top button