খাদ্য ব্যবসায়ীদের এক সংস্থার অধীনে আনা হচ্ছে

খাদ্য ব্যবসায়ীদের এক সংস্থার অধীনে আনার প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, খাদ্য ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কৃষি, বাণিজ্য, শিল্প এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংস্থাগুলোর মধ্যে মতভেদ রয়েছে। এ জন্য কারা তদারকি করবে সে বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ সভায় উত্থাপন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বলে দেবে এগুলো কার কাজ।

গতকাল বিশ্ব নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০২২ উপলক্ষে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘উন্নত অর্থনীতির জন্য নিরাপদ খাদ্য’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চাল নিরাপদ করতে আমরা সেটা কতটুকু ছাঁটাই করা যাবে, কী মেশানো যাবে, কোনটা যাবে না—সেজন্য আইন করছি। যাতে পুষ্টিমান ঠিক থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘খসড়া আইনটি মন্ত্রিপরিষদে পাশ হয়ে এখন ভেটিংয়ে রয়েছে। আশা করছি, আগামী অধিবেশনে সেটি পাশ হবে। তখন চাল ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে জনসচেতনতা দরকার। আমরা এখন বস্তায় চাল কিনি না। কিন্তু সেটা যখন পালিশ করে প্যাকেটে ভরে, তখন ১০ টাকা বেশি দিয়ে কিনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খাদ্য নিরাপত্তায় সর্বাধিক কাজ করছে। কিন্তু তারা লাইসেন্সিং অথরিটি না। এক্ষেত্রে অনেক সময় কাজ করতে সমস্যা হয়। খাদ্যসচিব ড. মোছাম্মত্ নাজমানারা খানুমের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফরাসউদ্দিন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গিয়াসউদ্দিন মিয়া, এফএওর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ রবার্ট সিম্পসন, এফএও ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।

ইত্তেফাক/এমএএম

Back to top button