বিমান থেকে বিমানে নিক্ষেপযোগ্য আরো ২টি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে ভারত

দৃষ্টিসীমার বাইরে বিমান থেকে বিমানে নিক্ষেপযোগ্য অ্যাস্ট্রার দুটি নতুন প্রজাতির ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি কর যাচ্ছে ভারত। উন্নত প্রযুক্তির দূর পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দুটি হলো এমকে-২ ও এমকে-৩। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ দুটি তৈরি করা হচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্র দুটির একটি ১৬০ কিলোমিটার পাল্লার আর অপরটি তিন শ’ কিলোমিটার পাল্লার।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শুক্রবার সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, অ্যাস্ট্রা এমকে-২ ও এমকে-৩ ক্ষেপণাস্ত্র দুটি পর্যায়ক্রমে আগামী ২০২৩ ও ২০২৪ সালে পরীক্ষা করা হতে পারে। বর্তমান অ্যাস্ট্রা এমকে-১ প্রজাতির ক্ষেপণাস্ত্রটি এক শ’ পাল্লার।

ভারতীয় বিমান বাহিনী এবং নৌবাহিনীকে অ্যাস্ট্রা এমকে-১ ক্ষেপণাস্ত্র এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম দিয়ে সুসজ্জিত করতে গত ৩১ মে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ভারত ডায়নামিকস লিমিটেডের সাথে ২,৯৭১ কোটি রুপির চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পরে অ্যাস্ট্রা এমকে-১ এবং সংশ্লিষ্ট সিস্টেমের উৎপাদনের জন্য ডিআরডিও বিডিএলের কাছে প্রযুক্তি হস্তান্তর করেছে।

সেন্টার ফর এয়ারপাওয়ার স্টাডিজের মহাপরিচালক এয়ার মার্শাল অনিল চোপড়া (অব.) বলেন, ‘ভবিষ্যত বিমান যুদ্ধ হবে সম্ভাব্য দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা এবং তাতে আঘাত করা। এটি রাডারের সনাক্তকরণ পরিসীমা বাড়ানো এবং দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের আবির্ভাবের ফলাফল হবে। আইএএফের লক্ষ্য পূরণ করতে অ্যাস্ট্রা এমকে-২ ও এমকে-৩ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা ভারতের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, চীনের পিএল-১৫ বিমান থেকে বিমানে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২০০ কিলোমিটার। আর পশ্চিমা বিশ্বে ১৬০ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রই সেরা, সেখানে ভারতের এই ক্ষেপণাস্ত্র সবাইকে ছাপিয়ে যাবে।

Back to top button