জায়েদের বিরুদ্ধে সানীর অভিযোগ যা ভাবছে শিল্পী সমিতি

চিত্রনায়ক ওমর সানী ও জায়েদ খানের দ্বন্দ্ব নিয়ে সরগরম এখন চলচ্চিত্র পাড়া। চড় ও পিস্তলকাণ্ডের পর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন ওমর সানী। তবে এরইমধ্যে মৌসুমী বক্তব্য দিয়েছেন, জায়েদ খান তার সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করেননি। বরঞ্চ তাকে ‘ভালো ছেলে’ বলেও একটি অডিও বার্তায় দাবি করেছেন এ নায়িকা। এ ঘটনার পর সানীর পক্ষে মুখ খুলেছেন তাদের সন্তান ফারদিনও। তিনি জানিয়েছেন, জায়েদ খান মৌসুমীকে ডিস্টার্ব করছে অনেকদিন ধরে। ঘটনা যখন এমন পর্যায়ে তখন ওমর সানীর অভিযোগ নিয়ে কী ভাবছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি? কী সিদ্ধান্তই বা নিতে যাচ্ছে তারা? বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমি একা কোনো সিদ্ধান্ত নেবো না। পরবর্তী সভায় এ নিয়ে কথা হবে। তিনি আরও বলেন, সানীর অভিযোগের চিঠি হাতে পেয়েছি। আগামী সভায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে কথা হবে।

সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী সদস্যরা মিলে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।

তবে কবে নাগাদ সভা হবে তা তিনি জানাননি। ইলিয়াস কাঞ্চন আরও বলেন, আমাদের কাছে নানা রকমের চিঠি আসে। সেগুলো আমরা জমা রাখি। প্রতি মাসের যে মিটিং হয়, সেগুলোতে গুরুত্ব অনুযায়ী সামনে আনা হয়। সানীর এই অভিযোগের চিঠি নিয়েও সেভাবেই কথা বলা হবে। সাম্প্রতিক ঘটনার সূত্রপাত অভিনেতা-প্রযোজক ডিপজলের ছেলের বিয়েতে। সেখানে উপস্থিত হয়ে ওমর সানী সপাটে চড় মারেন জায়েদ খানকে। অভিযোগ আছে, জায়েদ খানও পিস্তল দিয়ে গুলি করার হুমকি দিয়েছেন।

চড় মারার কারণ হিসেবে সানী দাবি করেন, গত চার মাস ধরে জায়েদ মৌসুমীকে ডিস্টার্ব ও অসম্মান করছে। ১১ই জুন রাতে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এর পরদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে অভিযোগ করেন ওমর সানী। সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন বরাবর দেয়া অভিযোগপত্রে সানী বলেন, আমি ওমর সানী এই সমিতির একজন সদস্য এবং সাবেক কমিটির সহ-সভাপতি ছিলাম। দীর্ঘ ৩২ বছর ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয় করে আসছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সমিতির সদস্য জায়েদ খান গত চার মাস ধরে আমার স্ত্রী আরিফা পারভীন জামান মৌসুমীকে হয়রানি ও বিরক্ত করে আসছে। আমার সুখের সংসার ভাঙার জন্য বিভিন্ন কৌশলে তাকে হেয় করার চেষ্টা করে আসছে।

Back to top button