করোনার সংক্রমণ বাড়ায় টেকনিক্যাল কমিটির ৬ পরামর্শ

আবারও নতুন করে কোভিড-১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ছয়টি পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি (কোভিড-১৯)। মঙ্গলবার রাতে ৫৮তম সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা। সেই সভায় দেওয়া পরামর্শগুলোর মধ্যে আছে—স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনসাধারণকে পুনরায় উদ্বুদ্ধ করতে সব ধরনের গণমাধ্যমে অনুরোধ জানাতে হবে; সব ক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা; ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি প্রয়োগ করা; সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা; জনসমাগম বর্জন করা; ধর্মীয় প্রার্থনার স্থানে (যেমন—মসজিদ, মন্দির, গির্জা ইত্যাদি) মাস্ক পরা। দৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
যাদের জ্বর, সর্দি, কাশি হচ্ছে, তারাও অনেকে কোভিড টেস্ট না করানোয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে সংক্রমণ বাড়ছে। তাই যাদের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে এবং যারা কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত মানুষের সংস্পর্শে আসছে তাদের টেস্ট করার জন্য অনুরোধ করতে হবে।

যেসব দেশে কোভিড-১৯ জীবাণুর ভ্যারিয়েন্ট ও সাব-ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমণের হার বেশি, সেই সব দেশ থেকে আমাদের দেশে আগত আক্রান্ত মানুষের মাধ্যমে প্রবেশ করছে বলে মনে করা হয়। এজন্য বিমান, স্থল ও নৌবন্দরগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে কোভিড-১৯ নেগেটিভ সনদ, টিকা সনদ আবশ্যক করতে হবে, বিশেষত অধিক আক্রান্ত দেশ থেকে আগত যাত্রীদের জন্য। সন্দেহজনক ব্যক্তিদের র‌্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট করার ব্যবস্থা করতে হবে। সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। সারাদেশে চলছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনসারাদেশে চলছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডোজ যারা এখনো নিতে পারেননি, তাদের এটা নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী করতে হবে। ৫ থেকে ১২ বছরের শিশুদের ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যাপারে নাইট্যাগের পরামর্শ অনুসরণ করা দরকার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চতুর্থ ডোজ অনুমোদন করলে তা বিবেচনা করতে হবে।

কোভিড-১৯-এর ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করার জন্য সম্ভাব্যতা বিবেচনা করা দরকার। ভ্যাকসিন-পরবর্তী প্রতিরোধক্ষমতা কত দিন বজায় থাকছে সে সম্বন্ধে গবেষণা করা প্রয়োজন।

কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিত্সার জন্য যে বিশেষ শঘ্যা, আইসিইউ ব্যবস্থা ও জনবল ছিল, তা বর্ধিত হারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিত্সার জন্য যথাযথভাবে প্রস্ত্তত রাখা প্রয়োজন। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করা যেতে পারে।

Back to top button