আইপিএলের কারণেই এমন বিধ্বংসী ইনিংস: বেয়ারস্টো

টেস্ট ধৈর্যের খেলা। অনেকে এই খেলাকে টুকটুকও বলে থাকেন। সেই হিসেবে বলের চেয়ে রান কম থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে অবশ্য টেস্টেও মারকুটে ব্যাটিং দেখা যাচ্ছে।

আর ট্রেন্টব্রিজে বেয়ারস্টো যা করে দেখালেন তাতে তো এই ম্যাচকে কোনোভাবে টেস্ট বলা যায় না। টি-টোয়েন্টির মতো করেই খেলেছেন এই ইংলিশ ব্যাটসম্যান। তার এমন ইনিংসই ইংল্যান্ডকে নিয়ে যায় জয়ের বন্দরে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে শেষ দিনে ইংল্যান্ড ২৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছে। বেয়ারস্টো খেলেছেন ৯২ বলে ১৩৬ রানের ইনিংস।

ইনিংসের একপর্যায়ে ৪৮ বলে ৪৩ থেকে বেয়ারস্টো শতক পূর্ণ করেন ৭৭ বলে। ইংল্যান্ডের এই ব্যাটসম্যান জানিয়েছেন, টেস্টে তার এমন অবিশ্বাস্য ইনিংসের মূলে আছে আইপিএলের অভিজ্ঞতা।

আইপিএলের এমনই মাহাত্ম্য যে টেস্ট ম্যাচে দলের প্রয়োজনে পুরোপুরি টি–টোয়েন্টি ঢঙে ব্যাটিং করতে পেরেছেন বেয়ারস্টো। অথচ ইংলিশ তারকাকে আইপিএলে না খেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন অনেকে, ‘অনেকেই বলেছিলেন, আমার আইপিএলে খেলা উচিত নয়। আইপিএলের বদলে আমার কাউন্টি ক্রিকেট খেলা উচিত। টেস্ট সিরিজের আগে যদি চারটি চার দিনের ম্যাচ আমি খেলতে পারি, সেটি নাকি ভালো হবে। কিন্তু ক্রিকেটের বর্তমান সূচি যা তাতে এমনটা হওয়া হয়তো সম্ভব নয়।’

এবারের আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে খেলেছেন বেয়ারস্টো। দলের প্রয়োজনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসও খেলেছেন। ইয়র্কশায়ারের হয়ে কাউন্টি খেলার বদলে তিনি আইপিএলে খেলতে যান। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরু হওয়ার কিছুদিন আগেই শেষ হয়েছে আইপিএল, তাই কাউন্টিতে খেলার সুযোগ হয়নি তার।

বেয়ারস্টো অবশ্য নিজেও মনে করেন, গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট সিরিজের আগে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলা থেকে দূরে থাকাটা খুব ভালো সিদ্ধান্ত নয়।

তবে আইপিএলকে ধন্যবাদই জানাতে চান বেয়ারস্টো, ‘এটা একধরনের সিদ্ধান্ত ছিল, যেটি আমি তখন নিয়েছি। ব্যাপার না। তবে আইপিএলে যেহেতু বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের বিপক্ষেই খেলতে হয়, তাই এর বেশ ভালো দিকও আছে। আইপিএলে আমি একধরনের ছন্দ পেয়েছি। চাপের মুহূর্তে ভালো খেলার রসদ পেয়েছি। এ কারণে গত কয়েক দিন আমি এভাবেই খেলেছি।’

সোনালীনিউজ/এআর

Back to top button