কতটা শুকনো ফল খাওয়া স্বাস্থ্যকর?

অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন রান্নায় শুকনো ফল যেমন-আখরোট, কিশমিশ, পেস্তাবাদাম, কাজু বাদাম ব্যবহৃত হয়। আজকাল রান্না ছাড়া এমনিতেও সবার মধ্যে শুকনো ফল খাওয়ার আগ্রহ বেড়েছে। স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা জেনেই অনেকেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় স্ন্যাক্স হিসেবে শুকনো ফল রাখছেন।

শুকনো ফল খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি স্বাস্থ্যকরও। শুকনো ফলে এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার, প্রোটিন, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, খনিজ সব কিছু একসঙ্গে পাওয়া যায়। তবে প্রতিদিন ঠিক কি পরিমাণে এই ফল খাওয়া যায় তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন আছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুকনো ফল মানে কেবলই শুকনো ফল। বাজারে চিনিতে মেশানো যেসব ক্যান্ডিড ফ্রুট পাওয়া যায়, সেগুলি শুকনো ফলের পর্যায়ে পড়ে না। একই কথা তারা বলছেন লবণ দিয়ে ভাজা বাদামের ক্ষেত্রেও। তাদের মতে, প্রতিদিন শরীরে পুষ্টি জোগাতে কাজুবাদাম, আখরোট, পেস্তা, ব্রেজ়িলনাট, হেজ়েলনাটের মতো বাদাম খেতে পারেন। তবে কোনও পরিস্থিতিতেই ৪-৭ টার বেশি খাওয়া ঠিক নয়। খালিপেটে খেজুর খেলে হজমশক্তি উন্নত হয় ।

বিশেষ করে কেউ যদি রোজা রাখেন বা ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করার সুযোগ না থাকে, তা হলে তাদেরকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। তাদের মতে, এই ফল শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়। তবে দিনে দুটো মাঝারি আকৃতির খেজুরই যথেষ্ট, তার চেয়ে বেশি খাওয়ার প্রয়োজন নেই। কিশমিশের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা সীমাবদ্ধ রাখা উচিত ৮-১০ এর মধ্যে। কাজুবাদামও দিনে ৫-৬টির বেশি খাওয়া ঠিক নয়।

Back to top button