হাঁড়িভাঙা আম বিক্রি হচ্ছে পানির দামে

সারাদেশে লিচুর রাজ্য হিসেবে পরিচিত হলেও আমেও বেশ সুনাম ছাড়াচ্ছে। জেলার হিলি বাজারে উঠেছে আঁশবিহীন সুস্বাদু রসালো ও পাতলা আবরণের জনপ্রিয় হাঁড়িভাঙা আম। তুলনামুলক সস্তায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে দেখা মিলছে নাক ফজলি, ফজলি, মিশ্রি ভোগ, রুপালিসহ বিভিন্ন জাতের আম।

হাঁড়িভাঙা আম

রবিবার (১৯ জুন) বিকেলে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে ফলের বাজারসহ রাস্তার মোড়ে মোড়ে বসেছে আমের দোকান। আবার অনেকেই ভ্যানে সাজিয়ে নানান জাতের আম বিক্রি করছেন। তবে হাঁড়িভাঙা, নাক ফজলি ও রুপালীর চাহিদা বেশি।

ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দামে এসব আম ক্রেতাদের নিকট বিক্রি করছেন। দাম চাইতে কেউ কম করছেন না। ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দাম চাচ্ছেন তারা। তবে ক্রেতারা দরকষাকষি করে ৩৫ টাকা দরে হাঁড়িভাঙা আম ক্রয় করছেন।

আম ব্যবসায়ীরা দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা বিশেষ করে নবাবগঞ্জ উপজেলার আম বাগান থেকে এসব আম পাইকারি দরে কিনে আনছেন। মণ ১২০০ টাকা, কেজি ৩০ টাকা দরে পাইকাররা নিয়ে আসছেন। তা আবার ৩৫ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ টাকা কেজি দরে খুচরা বিক্রি করছেন।

আম কিনতে আসা মাহফুজুর রহমান বলেন, বাজারে বর্তমান সব ধরনের আম দেখা যাচ্ছে। হাঁড়িভাঙা আমও প্রায় দোকানে আছে। বাড়িতে এই হাঁড়িভাঙা আমের বেশ কদর। দাম তো অনেক চাচ্ছে তবে শেষমেশ ৩৫ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি হাঁড়িভাঙা আম নিলাম।

হিলি বাজারে ফুটপাতের আম ব্যবসায়ী রশিদুল ইসলাম বলেন, বাজারে অনেকেই বেশি দামে বিক্রি করছেন। তবে আমি অল্প লাভে ছেড়ে দিচ্ছি। ৩০ টাকা কেজিতে কিনা আম ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। এবার নবাবগঞ্জে হাঁড়িভাঙা আমের ফলন ভাল হয়েছে। সেখানে অনেক বাগান তৈরি হয়েছে। সেসব বাগান থেকেই পাইকারি দরে নিয়ে এসেছি।

বিজ্ঞাপন
হোয়াটসঅ্যাপের গোপন কিছু ট্রিকস, যা আপনি জানতেন না

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ মঞ্জুরুল হক বলেন, আমের দাম ভালোই আছে। আমের মুকুল আসার আগে থেকেই কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়। লিচুর মতো আম চাষেও তারা বেশ অভিজ্ঞ। আমের ফলন ভালো হয়েছে আশা করছি লাভবান হতে পারবেন।

Back to top button