টেস্টে হারের সেঞ্চুরি করল বাংলাদেশ

১৭৪ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ১৩২ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। ৪২ রানে পিছিয়ে থেকে চতুর্থদিনের প্রথম সেশন শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু বৃষ্টিতে ভেসে যায় চতুর্থ দিনের প্রথম ও দ্বিতীয় সেশন। তবে চা বিরতির পর খেলতে নেমেই ১৮৬ রানেই শেষ টাইগারদের ইনিংস।

সোহানের ব্যাটে ইনিংস হার এড়ালেও ১০ উইকেটে হেরে ২-০তে সিরিজ শেষ করল বাংলাদেশ। সবচেয়ে লজ্জার বিষয় টেস্ট ক্রিকেটে পরাজয়ের সেঞ্চুরি পূর্ণ করল টাইগাররা। ২২ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত একশটি টেস্ট ম্যাচে হারল বাংলাদেশ।

দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল ম্যাচের তৃতীয় ওভারে মাত্র চার রানে বিদায় নেন। কেমার রোচের অনেকটা বাইরের বল খেলতে গিয়ে এই ওপেনার বিপদ ডেকে আনেন। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেট রক্ষক জশুয়া দ্য সিলভার হাতে। তামিমকে ফিরিয়ে রোচ তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৫০তম উইকেট।

অভিজ্ঞ তামিমের বিদায়ের পর মাহমুদুল হাসান শান্ত আর নাজমুল হোসেনের জুটি কিছুটা আশা দেখিয়ে মুহূর্তেই নিরাশ করে। রোচের বাউন্সারে জয় (১৩) ক্যাচ তুলে দেন স্লিপে থাকা জার্মেইন ব্ল্যাকউডের হাতে।

দীর্ঘ আট বছর পর টেস্টে ফেরা বিজয়ও হাঁটলেন একই পথে। মাত্র চার রান করে রোচের বলেই হন এলবিডব্লিউ। এরপর খানিকক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে বৃষ্টিতে। বৃষ্টি শেষে ফিরে লিটন দাসকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ১৯ রানে ফেরান জ্যেডেন সিলস।

সাকিব আল হাসানের ভয়ডরহীন ব্যাটিং খুব একটা সফল হয়নি। আলজারি জোসেফের বলে ১৬ রানের মাথায় ক্যাচ দেন স্লিপে থাকা জন ক্যাম্পবেলের হাতে। সাকিবের বিদায়ে অনেকটা নিশ্চিত, এই ম্যাচটা চলে গেছে বাংলাদেশের আয়ত্বের বাইরে। শেষ সেশনে বৃষ্টি বাধায় খেলা বন্ধ না হলে হয়তো চতুর্থ দিনের জন্য অপেক্ষা করতে হত না।

দিন শেষে অপরাজিত ছিলেন ১৬ রানে নুরুল হাসান সোহান ও মেহেদী হাসান মিরাজ (০)। এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে করা ২৩৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪০৮ রান তুলে ইনিংস শেষ করে উইন্ডিজ।

সোনালীনিউজ/এআর

Back to top button