চাচির সাথে পরকীয়া, যুবকের দুই হাতের কব্জি কেটে নিলো ফুফা

পরকীয়ার জের ধরে ডেকে এনে দা দিয়ে কুপিয়ে হাদিউল্লাহ (২৩) নামে এক যুবকের দুই হাতের কব্জি কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেখ জালাল মিয়া ও তার ভাতিজা সাজ্জাদ নামে দুই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার (২৮ ) জুন রাতে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের নোয়াকান্দা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। হাদিউল্লাহ শিবপুর উপজেলার বাড়িগাঁও গ্রামের মোরশেদ মিয়ার ছেলে।

অপরদিকে শেখ জালাল মিয়া নোয়াকান্দা গ্রামের আক্কাছ মিয়ার ছেলে ও সম্পর্কে হাদিউল্লার চাচির দুলাভাই। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হাদিউল্লাহর চাচা বিদেশে থাকার সুবাধে চাচী বৃষ্টি আক্তারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে হাদিউল্লাহর পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ নিয়ে প্রায় সময় হাদিউল্লার সাথে পরিবারের সদস্যদের ঝগড়া হতে। হাদিউল্লাহর গ্রামের বাড়িতে সালীশ-দরবারও হয়েছিল। অপর দিকে ঘাতক জালালের সম্পর্কে শালি হয় বৃষ্টি আক্তার। সেই সুবাধে সোমবার সন্ধ্যায় হাদিউল্লাহর দু:সম্পর্কের আত্মীয় জালাল মিয়া তাকে তার নিজ বাড়ি নোয়াকান্দায় ডেকে আনেন। সেখানে হাদিউল্লা রাত্রিযাপন করে।

পরে গভীর রাতে হাদিউল্লাকে জানানো হয় ডিবি পুলিশ বাড়িতে রেড করেছে। এই কথা বলে নোয়াকান্দা থেকে দড়িচর গামী রাস্তার মাঝ-বরাবর একটি কলাবাগানের ঝোঁপে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে হাত পা মুখ বেঁধে দা দিয়ে কুপিয়ে তার দুই হাতের কব্জি কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে সন্ত্রাসী জালাল মিয়া ও তার ভাতিজা সাজ্জাদ। এসময় হাদিউল্লার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রের্ফার করেন।

এ ব্যাপারে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াছ বলেন, পরকীয়ার জেরে এই ঘটনার সূত্র পাত হতে পারে। এ ছাড়াও শেখ জালাল একজন শীর্ষ ডাকাত দলের সদস্য। শেখ জালালের নামে একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলে। মামলা প্রক্রিয়াধিন।

Back to top button