প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে আপনার স্তনের সাইজ বাড়াবেন

কীভাবে অকৃত্রিম পদ্ধতিতে স্তনের সাইজ বাড়াবেন ৪৫ দিনে? জেনে নিন কিছু সহজ টিপ্‌স!

মহিলারা, খুশি হওয়ার কারণ পেয়ে গেছেন আপনারা কারণ নিচে লেখা প্রবন্ধে সেইসব প্রশ্নের উত্তর রয়েছে যা প্রাকৃতিক উপায়ে স্তনের সাইজ বড় হওয়ার প্রসঙ্গে আপনি করতে পারেন।এ বিষয়ে যথেষ্ট গবেষণা করার পরই বলছি, বিশ্বাস করুন, অন্য কোনও ব্লগ বা সাইটে এভাবে লেখা নেই। শুধু আপনাদের জন্যেই আমি বিস্তারিতভাবে পদ্ধতিগুলো লিখছি।

স্তন বড় করার ৫টি পদ্ধতি যা বিফলে যাবে না

আশা করি আপনি এর সাথে সহমত যে কোনও শারীরিক বদলই রাতারাতি হয়ে যাবে না। স্তনের সাইজ বড় করার জন্যে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য ধরতে হবে। নিচে লেখা পরামর্শগুলো আপনার স্তনকে শুধু বাইরে থেকে বড় দেখাবে; আসলেই স্তনের সাইজ বড় করতে চাইলে আপনাকে আরও পড়তে হবে। ততক্ষণ এই টিপ্‌সগুলো ব্যবহার করুন… এগুলোকে বলতে পারেন দৃষ্টি বিভ্রম। তবে যাই হোক, চটপট কিছু পদ্ধতি কে না জানতে চায়!

তাহলে শুরু করা যাক পরামর্শগুলো দিয়ে যা আপনার স্তনের সাইজ বড় করে তুলবে নিমেষে এবং আপনাকে দেবে আত্মপ্রত্যয় –

স্তনবর্ধনকারী ব্রা – আমার লিস্টে প্রথমে অবশ্যই থাকবে স্তনবর্ধনকারী ব্রা। হ্যাঁ, এটি পরার সাথে সাথে আপনার বক্ষস্থল অনেক পরিপূর্ণ দেখাবে। আরও বিশদে ব্যাখ্যা করবো কি?
‘ডিটেইল্‌ড নেকলাইন ওয়্যার’ – ‘ডিটেইল্‌ড নেকলাইন ওয়্যার’ আপনি পরতে পারেন একটি দৃষ্টি বিভ্রম তৈরি করার জন্যে। সুন্দর ফিতে, রংচঙে কুঁচি, সুন্দর ভাঁজ করা কাপড়, রঙিন সুতো এবং ছোট ছোট রত্নে সাজানো এই পোশাক সকলের দৃষ্টি আপনার স্তনের দিক থেকে কেড়ে নেবে আর যথাযথ দেখাবে।উঁচু গলাওয়ালা পোশাক – উঁচু গলাওয়ালা পোশাক ‘লো নেক’ পোশাকের চেয়ে বেশি সুন্দর? অবশ্যই। লো নেকলাইন আসলে সেটাকেই দেখিয়ে দেয় যা আপনি লুকোতে চাইছেন।
রংচঙে ও আঁকিবুঁকি কাটা পোশাক – উদ্ধত ও উজ্জ্বল রঙের আঁকিবুঁকি কাটা পোশাক পরুন। নিচে যা পরবেন তা যেন ওপরের পোশাকের চেয়ে বেশি আকর্ষণীয় না হয়। আপনি যদি উল্টোটা করেন তাহলে আপনার স্তন আকারে অনেক ছোট দেখাবে। যদি আপনি ক্লিভেজ বের করা পোশাক পরতে চান তবে আপনাকে ‘মেক-আপ’এর সাহায্য নিতে হবে। আপনার ক্লিভেজকে যথাযথ দেখানোর জন্যে গাঢ় রঙের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে হবে।
যে ভুলগুলো একেবারেই করবেন না –

এমন অনেক মহিলাকেই আমি চিনি যারা প্রতিনিয়ত বিলাপ করেন ঈশ্বর কেন এমন নিষ্ঠুর হয়ে তাদের ছোট স্তন প্রদান করেছেন। কিন্তু তারা সেই ভুলটাই করেন যেটা না করা উচিত ছিল। তারা লম্বালম্বি স্ট্রাইপওয়ালা পোশাক পরেন। সাবধান রমণীরা, এটি একটি মারাত্মক ভুল। এই পোশাক আপনার স্তনকে আরও ছোট দেখায়। এবং হ্যাঁ, যে মহিলাদের এমনিই বড় আকারের স্তন তারা লম্বালম্বি স্ট্রাইপওয়ালা পোশাক পরেন অপ্রস্তুত হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে। হ্যাঁ, কেউ কেউ এমনও আছেন যারা স্তনের সাইজ ছোট দেখানোর উপায় খোঁজেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য –

শুরুর আগেই সাবধান করে দিই, একেবারেই দ্রুত ফলাফলের আশা করবেন না। অন্তত এর ফলাফল পেতে ২০-৩০ দিন সময় লাগবে।

প্রমাণিত কিছু পদ্ধতি যা প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার স্তনকে বড় করতে পারে।

এই অংশে আমি আপনাদের বিস্তারিত কর্ম পরিকল্পনা বলে দিচ্ছি যা আপনার স্তনকে প্রাকৃতিক উপায়ে বড় করে তুলতে সাহায্য করবে। এই উপায়গুলোতে খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম এবং অন্য অনেক পদ্ধতিও আছে। দেখে নিন কি কি লেখা আছে –

অকৃত্রিমভাবে ঘরে বসেই স্তন বড় করার পদ্ধতি –

খাদ্যাভ্যাস
দুধ – দুধ, দুগ্ধজাত যেকোনো খাবার, মাখন ইত্যাদি খাবারগুলো স্তনের সাইজ বড় করার জন্যে ভীষণই লাভজনক। ‘হোল মিল্ক’ আসলে ‘লো ফ্যাট মিল্ক’ নয়, এতে ফ্যাট থাকে বেশি পরিমানে। মাথায় রাখতে হবে স্তনের তন্তুগুলো কিন্তু আসলে ফ্যাটেই পরিপূর্ণ থাকে। ফ্যাটযুক্ত খাবার থেকেই স্তনের ফ্যাট পাওয়া যায়।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – ফ্যাটযুক্ত খাবার যদি বেশি খান, তবে কিন্তু আপনি মোটা হয়ে যেতে পারেন। দেখা গেল ফলাফল হিসেবে আপনি খুব মোটা হয়ে গেলেন। যদি দুগ্ধজাত খাদ্যে আপনার অ্যালার্জি থাকে, তবে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করবেন। যদিও অ্যালার্জি আপনি সহজেই সারিয়ে তুলতে পারবেন। সবচেয়ে ভাল ব্যাপার হ’ল দুধ শরীরের পক্ষে ভীষণ উপকারি; এ ব্যাপারে আর কিছু বলার নেই।

সয়া মিল্ক ও সয়াবিন – আমরা সবাই জানি সয়া মিল্ক প্রোটিনে ভরপুর থাকে। এতে খুব বেশি পরিমানে আইসোফ্লাভন থাকে যা ইস্ট্রোজেনের কাজকে অনুকরণ করে ও স্তনের সাইজ বড় করতে সাহায্য করে। সয়া মিল্ক পাওয়া যায় সয়াবিন থেকেই। শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বজায় রাখতে সয়াবিনও কিন্তু সমান উপকারি। তবে খাওয়ার সময় পরিমানের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – এতে আপনার মাসিক চক্র প্রভাবিত হতে পারে। এমনকি ব্রেস্ট ক্যান্সারের সাথেও এর যোগাযোগ রয়েছে। খেয়াল রাখবেন, অধিক পরিমাণে যেন খাওয়া না হয়।

পেঁপে – এই তালিকায় এই ফলটি দেখে আপনি অবাক হতে পারেন। কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না যে স্তনের আকার বড় করতে পেঁপে ভীষণই উপকারি। দুধের সাথে পেঁপে খেলে আপনি অভাবনীয় ফলাফল পেতে পারেন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – গর্ভবতী মহিলারা কিন্তু এটা খাবেন না। এছাড়াও, এটা বেশি খেলে পেট ছাড়ার সম্ভাবনা থাকে ও ডায়রিয়াও হতে পারে। সুবিধাজনক ব্যাপার হল এটা খুবই সহজলভ্য, সুতরাং একেবারেই কঠিন কিছু নয়।

‘স পালমেটো’ –এটি খুবই উপকারি একটি হরমন নিয়ন্ত্রণকারী ভেষজ যা নারী পুরুষ উভয়েই ব্যবহার করতে পারেন। এতে স্তনবর্ধনকারী অনেক বৈশিষ্ঠ্য আছে।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – সেবনের পরিমানের দিকে খেয়াল রাখতে হবে, বেশি খাওয়া চলবে না। এটি সাপ্লিমেন্ট হিসেবে সহজলভ্য। ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে সেবনের পরিমাণের ব্যাপারে পরামর্শ নিয়ে নেবেন।

ভেষজ পদ্ধতি
কিছু আশ্চর্যজনক ভেষজ ও মশলা যা আপনার স্তনের আকার বড় করে তুলবে।

মেথির বীজ – আশা করি এর ব্যাপারে আগেই শুনেছেন। এতে যথেষ্ট পরিমাণে ‘ফাইটো ইস্ট্রোজেন’ আর ‘ডায়োসজেনিন’ রয়েছে যা প্রোলেক্টিন হরমনের উৎপাদন বাড়ায় এবং স্তনের আকার বড় করতে সাহায্য করে। কিন্তু শুধু কি বীজ সেবনেই কাজ দেবে? হ্যাঁ, এটি ভীষণই লাভজনক, এমনকি এই বীজের পেস্ট বানিয়ে তা স্তনে ম্যাসেজও করতে পারেন। এই বীজ ব্যবহারের আরও একটি উপায় হ’ল এই বীজকে ফাটিয়ে কোনও তেলে(সর্ষের তেল হতে পারে) মিশিয়ে নিয়ে স্তনে ম্যাসেজ করা। মেথির তেলও একটা ভাল বিকল্প। যেহেতু মেথির অঙ্কুরে বেশি পরিমাণে ডায়োসজেনিন থাকে, এটাও স্তনের সাইজ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। প্রাকৃতিক উপায়ে স্তনের আকার বড় করার জন্যে আপনি এইগুলো ব্যবহার করতেই পারেন। মেথির সাপ্লিমেন্টও ব্যবহার করতে পারেন। সঠিক পরিমাণের জন্যে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – অধিক মাত্রায় খেয়ে ফেললে পেট ব্যথা বা ডাইরিয়াও হতে পারে। ভাল ব্যাপার এটাই যে কৃত্রিম উপায়ে স্তনবর্ধনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর মতো এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো অতটাও ভয়াবহ না।

মৌরির বীজ – মৌরি চিবোতেই পারেন, এটি সুস্বাদু। আপনার খাবারে মৌরির গুঁড়ো দিতে পারেন বা মৌরির পেস্ট বানিয়ে কোনও তেলে মিশিয়ে তা দিয়ে স্তনে ম্যাসেজ করতে পারেন। মৌরির সাপ্লিমেন্টও ব্যবহার করতে পারেন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – স্নায়ুতন্ত্রের সাধারন কর্মপদ্ধতিতে এটি ব্যাঘাৎ ঘটাতে পারে যদি অধিক মাত্রায় খাওয়া হয়। সুতরাং, খেয়াল রাখবেন কতটা পরিমাণে সেবন করছেন। সুবিধা হচ্ছে এটি সহজলভ্য এবং যেহেতু এটি ভেষজ, তাই সেইরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিছু হয় না। এছাড়াও এতে আছে ‘ফ্ল্যাভানয়েড’, ‘ওমেগা ৩’, ৬ রকমের ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ‘লিগন্যান’ উৎপাদন করে যা আসলে ইস্ট্রোজেনের মতই কাজ করে। এটি ব্রেস্ট ক্যান্সার ও ডিম্বাশয়ে ক্যানসারের ক্ষেত্রেও উপকারি।

এখানেই শেষ নয়। আরও অনেককিছু আছে যা প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার স্তনের সাইজ বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। এখনও তো যোগব্যায়ামের এবং অন্য ব্যায়ামের ব্যাপারে আলোচনা করা বাকি!

ম্যাসেজ
আমরা জানি যে স্তন বর্ধনকারী ক্যাপসুল খুবই সহজ উপায়ে স্তনের আকার বড় করতে পারে। কিন্তু ক্রিমের ব্যবহার শুধুমাত্র নিরাপদ এবং কার্যকরীই নয় মজাদারও। বিশ্বাস করুন, আপনার প্রেমিক যদি এই ব্যাপারে আপনাকে সাহায্য করে তাহলে পুরো জিনিসটা ভীষণই রোমাঞ্চকর ও আরামদায়ক হবে। ক্রিম এবং লোশন ব্যবহার করার সময়ে আপনি আপনার স্তনে ম্যাসেজ করতে পারবেন যত্ন সহকারে।

কি কি তেল আপনি ব্যবহার করতে পারেন –

মসিনা তেল
মৌরির তেল
জলপাইয়ের তেল
যেকোনো স্তনবর্ধনকারী ক্রিম বা লোশন – এগুলো সাধারণত প্রাকৃতিক উপকরণে তৈরি হয় এবং সস্তা ও কার্যকরীও হয়।
কিভাবে স্তনে ম্যাসেজ করবেন?

স্তনে ম্যাসেজ করা হল একটি ভীষণ কার্যকারী উপায় যার ফলে আপনার বক্ষস্থলের আয়তন বাড়তে পারে। হাত দিয়ে চক্রাকারে ম্যাসেজ করতে হবে স্তনে। স্তনের দুই ধার থেকে ম্যাসেজ করে বিভাজিকায় এসে থামতে হবে। ম্যাসেজ করার এই পদ্ধতিটি প্রমাণিত। একই পদ্ধতিতে দিনে ২০০-৩০০বার ম্যাসেজ করলে স্তনের তন্তুগুলো বলিষ্ঠ হয়ে উঠবে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – খুব বেশি ম্যাসেজ করলে স্তনে ব্যথা হতে পারে বা ফুলে উঠতে পারে। এই ব্যাপারে একটু সচেতন থাকতে হবে। মজার বিষয় হ’ল প্রেমিকযুগলদের জন্যে এই পদ্ধতি খুবই রোমাঞ্চকর, এতে মজা দু’জনেরই। সিঙ্গেলরা চিন্তা করবেন না, আপনারা মূল উদ্দেশ্যের দিকে খেয়াল রাখুন।

স্তনের আকার নাকি গর্ভনিরোধক বড়ি খেলে বাড়ে – সত্যি না মিথ্যে?

হ্যাঁ, কিছু ক্ষেত্রে গর্ভনিরোধক বড়ি কিন্তু সত্যিই স্তনের আকার বড় করতে পারে। এর কারণ হ’ল এই ট্যাবলেটগুলো শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে এবং ইস্ট্রোজেন হরমোনই স্তনের আকার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। তবে, এই ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা দরকার; ট্যাবলেট খাওয়া বন্ধ করে দিলেই কিন্তু স্তনের আকারও আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য

বড় স্তনের আকারের কামনা করা কিছু খারাপ ইচ্ছে নয়, কিন্তু শুধুমাত্র স্তনের ছোট আকারের কারণে যথেষ্ট দৃষ্টি আকর্ষণ করতে না পেরে নিজেকে অসম্মান করা বা নিজেকে ঘৃণা করা কিন্তু ভীষণ অনুচিত। এই ব্যাপারে বেশি ভাবার কোনও কারণ নেই। আপনি আপনার নিজের মতো করে সুন্দর। এবং আমার প্রত্যেক পাঠককে আমি সমানভাবে ভালবাসি।

ক্লিভেজ বা স্তনের আকার আসলে পুরোটাই জিন, শরীরের ওজন ও আপনার জীবনধারার ওপর নির্ভর করে। এরকম অনেক মহিলা আছেন যাদের যথেষ্ট বড় আকারের স্তন নয় বা তাদের পছন্দের সাইজমতো স্তনের আকার নয়। সে ক্ষেত্রে তারা স্তনবর্ধক সার্জারি করাতেই পারেন কিন্তু যখন এত কার্যকরী বিকল্প রয়েছে যাতে প্রাকৃতিক উপায়ে স্তনের আকার বড় করা যায়, তখন কৃত্রিম উপায়ে সার্জারি করার কি প্রয়োজন? এই অংশে আমরা সেসব বিজ্ঞাপিত সাপ্লিমেন্ট নিয়ে আলোচনা করবো না যেগুলো স্তন বড় করার প্রাকৃতিক উপায় বলে দাবি করে। আমরা আরও কিছু ব্যায়ামের ব্যাপারে আলোচনা করবো যেগুলো আপনার স্তনের সাইজ বড় করতে সাহায্য করবে।

আপনাকে শুধু মনোযোগ দিতে হবে ব্যায়ামের দ্বারা কিভাবে অঙ্গবিন্যাস, পিঠের ও কাঁধের পেশীগুলো উন্নত করা যেতে পারে, সেইদিকে। খেয়াল রাখবেন যেন ব্যায়াম করার সময় সঠিক পদ্ধতি মেনে করা হয়। বক্ষস্থলের আয়তন বৃদ্ধির জন্যে নিচে লেখা ব্যায়ামগুলো করতে পারেন –

‘ওয়াল প্রেস’
এই ব্যায়ামটি করার সময় আপনাকে একটি দেওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে হাতের তালু রাখতে হবে দেওয়ালে। খেয়াল রাখতে হবে হাতের তালু আর বুক যেন একই উচ্চতায় থাকে।
কনুই ধীরে ধীরে ভাঁজ করে মাথাটা ছোঁয়াতে হবে দেওয়ালে এবং ফের ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফেরত যেতে হবে।
এই পদ্ধতিটি কম করে ১০-১৫বার করতে হবে।
চেষ্টা করবেন কম করে ৩বার এই ব্যায়ামটি যেন করা হয়।
‘হরাইজন্টাল চেস্ট প্রেস’
শরীরের সামনে দুই হাত প্রসারিত করুন।
৯০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে আপনার হাত ভাঁজ করুন।
বাহুদুটি যত বড় করে খুলতে পারবেন চেষ্টা করুন।
বাহুদুটি আবার আগের জায়গায় ফেরত নিয়ে আসুন।
এই ব্যায়ামটি টানা এক মিনিট করতে পারেন।

Back to top button