রনির আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা

বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে করা আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি। সোমবার (২৫ জুলাই) রাতে রেল ভবনে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চার ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেন তিনি।

মহিউদ্দিন রনি বলেন, রেল মন্ত্রণালয়ের অংশীজন সভায় আমার ৬ দফার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার ফলোআপে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে আপাতত আমি আমার আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করছি।

তবে যদি দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা না হয় অথবা সময়ক্ষেপণ করা হয়, তাহলে আবারও আন্দোলনে ফিরে যাবেন বলে জানান তিনি।

এদিন বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে আন্দোলনের অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি আওয়ামী লীগের ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।

সোমবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খানের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন তিনি।

এর আগে রোববার (২৪ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে ঢাবি শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনির অবস্থান কর্মসূচিতে সমর্থন জানাতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে হাজির হন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং গণঅধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর।

এর আগে রেলের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয় রনি। আল্টিমেটাম শেষে আবারও এই আন্দোলন শুরু করেন তিনি। আন্দোলনে রনির সঙ্গে তার সহপাঠী ও বন্ধুরা যোগ দিয়েছেন।

রনি জানান, ৬ দফা দাবি মানতে রেলওয়েকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অব্যবস্থাপনা বন্ধে তারা এখনও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

Back to top button