সাদা সাদা কালা কালা-গানটি শুনে শাহবাগের চার-পাঁচ প্রজন্ম বড় হয়েছে: শিপলু

এরফান মৃধা শিপলু। অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী। সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে তাঁর গাওয়া গান ‘সাদা সাদা কালা কালা’। ‘হাওয়া’ সিনেমার গানটি শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে। নতুন গান ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তাঁর সঙ্গে-

ক্যামেরার পেছনের মানুষ আপনি। গানের ভুবনে কীভাবে এলেন?

ছোটবেলায় মগবাজারের নজরুল শিক্ষালয়ে হাতেখড়ি। সেটা ‘৮২ সালের কথা। বাসায় মা ও মেজ মামা গুনগুন করে গান করতেন। অষ্টম শ্রেণিতে পড়াকালীন বন্ধুরা মিলে ‘উড়নচণ্ডী’ নামে একটি ব্যান্ড গঠন করি। এ ব্যান্ডের সুবাদেই শাহবাগমুখী হওয়া। সেখানেই এক চায়ের দেকানে হাশিম ভাইয়ের [হাশিম মাহমুদ] সঙ্গে পরিচয়। ধীরে ধীরে তাঁর সঙ্গে দারুণ এক সখ্য হয়।

‘হাওয়া’র গানে প্লেব্যাকের গল্প কী?

চারুকলার শিক্ষার্থী হওয়ার সুবাদে অনেক আগে থেকেই সুমন ভাই [মেজবাউর রহমান সুমন] হাশিম ভাইকে চিনতেন। সিনেমার প্রি-প্রোডাকশনে যাওয়ার আগে তিনি একদিন হাশিম ভাইকে খুঁজে বের করতে বললেন। হাশিম ভাই তখন নারায়ণগঞ্জে থাকেন; শাহবাগ এলাকায় বেশি আসেন না। হঠাৎ খুঁজে পেলাম তাঁকে। প্রথমে হাশিম ভাইকে দিয়ে গানটি গাওয়ানোর চেষ্টাও করেন নির্মাতা। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি গানটি আর করতে পারেননি। তখন সুমন ভাই আমাকে গাওয়ার জন্য বললেন। এভাবেই গানটি করি। গানটি মুক্তির পর হাশিম ভাইকে শোনাই। তিনি শুনে খুশি হয়েছেন।
গানটি গাইতে পেরে কতটা তৃপ্ত আপনি?

হাশিম ভাইয়ের এই গান শুনে শাহবাগের চার-পাঁচ প্রজন্ম বড় হয়েছে। তাঁর সঙ্গে গেয়েছি বহুবার। আমি অনেক ভাগ্যবান। তাঁর মতো একজন গীতিকারের গান গাইতে পারা আমার জন্য পরম পাওয়া। এ গান যেন হয়ে উঠেছে গণমানুষের। এত অল্প সময়ে শ্রোতাদের এমন সাড়া পাব- কখনও কল্পনা করিনি।
এখনকার ব্যস্ততা কী নিয়ে?

‘হাওয়া’ সিনেমার প্রচারণা নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটছে। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিকে নিয়মিত কাজ করছি। শ্রোতারা যেহেতু আমার গান পছন্দ করেছেন, তাই কিছু নতুন গান নিয়েও ভাবছি।

Back to top button