দুইদিনের কর্মসূচি দিলো বিএনপি

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, লোডশেডিং, পরিবহন সংকট এবং ভোলায় পুলিশের গুলিতে ছাত্রদল নেতা নূরে আলম এবং স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আব্দুর রহিম নিহতের ঘটনায় আগামী ১১ ও ১২ আগস্ট দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

সোমবার (৮ আগস্ট) বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সড়কে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ-সমাবেশে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভোলায় পুলিশের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আব্দুর রহিম এবং ছাত্রদল নেতা নূরে আলম নিহত হওয়ার ঘটনায় এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, রোববার (৭ আগস্ট) সরকার বামপন্থি ছাত্রদের আন্দোলনে হামলা চালিয়েছে। গত ১৫ বছরে বিএনপির ছয় শতাধিক নেতা কর্মীকে গুম, সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে হত্যা, ৩৫ লাখ নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে এবং আমাদের নেত্রীকে অসুস্থ অবস্থায় আটক করে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, তাদের বিকল্প কোনো পথ নেই। ক্ষমতায় থাকতে হলে তাদের নির্যাতন হত্যা করে টিকে থাকতে হবে। কিন্তু তাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। দুর্বার আন্দোলনে তাদের পতন হবে। আওয়ামী লীগকে জবাবদিহিতা করতে হবে, এ সরকারকে জবাব দিতে হবে। তারা দেশকে ফোকলা করে দিয়েছে। বিদ্যুৎ নেই, জ্বালানি নেই।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্নার সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন— বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, সদস্য সচিব রফিকুল আমিন মজনু, উত্তরের আহ্বায়ক আমানুল্লাহ আমান, সদস্য সচিব আমিনুল হক, ঢাকা দক্ষিণ মহানগরের সদস্য ইশরাক হোসেন, সাবেক যুবদল নেতা নেওয়াজ আলী, কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, স্বেচ্ছাসেবকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ প্রমুখ।

Back to top button