ইসলামের পক্ষে প্রথম তীর নিক্ষেপকারী

হিজরতের আট মাস পর উবায়দা ইবনুল হারিস (রা.)-এর নেতৃত্বে একটি দলকে অভিযানে পাঠান। এই অভিযানের জন্য মহানবী (সা.) সর্বপ্রথম নিজে ঝাণ্ডা বাঁধেন। এই অভিযানে ৬০ মুহাজির সাহাবি অংশ নেন। কোনো আনসার ছিলেন না।

 অপরদিকে কুরাইশের পক্ষে আবু সুফিয়ানের (তখনো মুসলিম হননি) নেতৃত্বে দুই শতাধিক লোক অংশ নেয়। রাগিব পাহাড়ের পাদদেশে উভয় দলের ভেতর তীর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এই অভিযানে সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) ইসলামের পক্ষে প্রথম তীর নিক্ষেপ করেন। (ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি, আস-সিরাহ আন-নাবাবিয়্যাহ, পৃষ্ঠা ৩৬৩)

কুরাইশ কাফেলায় মিকদাদ ইবনে আমর (রা.) ও উতবা ইবনে গাজওয়ান (রা.) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তারা মক্কায় গোপনে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং মুসলিম বাহিনীতে শামিল হওয়ার ইচ্ছায় কুরাইশদের সঙ্গী হন। অতঃপর উভয় কাফেলা কাছাকাছি হলে তারা মুসলিম বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হন। (সিরাতে মোস্তফা : ২/৪৬)

প্রথম হিজরির জিলকদ মাসে রাসুলুল্লাহ (সা.) সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর নেতৃত্বে ২০ জনের একটি মুসলিম দলকে অভিযানে প্রেরণ করেন। এই দলের প্রতি নির্দেশনা ছিল, তারা কিছুতেই খাররার নামক স্থান অতিক্রম করে সামনে অগ্রসর হবে না। খাররার জুহফা ও গাদিরে খুমের নিকটবর্তী একটি উপত্যকা। তাদের মূলত একটি কুরাইশ কাফেলার সন্ধানে পাঠানো হয়েছিল। কাফেলাটি পদব্রজে রওনা হয়েছিল।

তারা রাতে পথ চলত এবং দিনে আত্মগোপন করে থাকত। পঞ্চম দিনে দলটি খাররারে পৌঁছে সংবাদ পায় কুরাইশ কাফেলা এক দিন আগে খাররার ত্যাগ করেছে। এই অভিযানের ঝাণ্ডা ছিল সাদা এবং মিকদাদ ইবনে আমর (রা.) তা বহন করেছিলেন। (আর-রাহিকুল মাখতুম, পৃষ্ঠা ২০৫)

Back to top button