ঘুমন্ত কিশোরীর সঙ্গে রোমান্সে মাতছে ভূত, ঘুমিয়ে পড়লেই শুরু হয়ে যায় স্পর্শ!

ঘুম ভাঙতেই তিনি অন্ধকারে একটা ছায়া সরে যেতে দেখেছিলেন শুধু। বাথরুম থেকে জল পড়ার শব্দ আসছে। ঘরের আলো কে নেভাল? ভূতের সঙ্গে শা.রী.রি.ক স.ম্প.র্ক! প্রায় সেরকমই দাবি এক মহিলার। তাঁর দাবি, যখনই তিনি ঘুমিয়ে পড়ছেন, তখনই তাঁর সারা শরীরে কোনও এক অশরীরীর অশ্লীল স্পর্শ পাচ্ছেন তিনি! অথচ তাঁকে দেখা যাচ্ছে না।

 অদৃশ্য় এ কোন রহস্যময় উপস্থিতি? পরে অবশ্য প্রকাশিত হয় প্রকৃত রহস্য। ওই যুবতীর সঙ্গে এই কাজটি করে আসছিলেন তাঁরই বাড়িওয়ালা। তিনিই অন্ধকারের মধ্যে এসে তাঁর এই যুবতী টেনান্টের শরীর স্পর্শ করা বা তাঁকে চুম্বন করার কাজটি করছিলেন। কী করে ‘ভূত’ ধরা পড়ল? যুবতী ঘটনাটি তাঁর বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। পরে তাঁরা পরামর্শ করে একটি সিসিটিভি লাগান ঘরে। সেই সিসিটিভিই ভূত ধরে দেয়।

২০২১ সালের মে মাসে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন ৩০ বছরের শিন মিন এবং তাঁর প্রেমিক। সিঙ্গাপুরের হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের তৈরি এক পাবলিক হাউজিং-এর ফ্ল্যাট সেটি। জুনে জমকালো পার্টি দিয়ে বাড়িওয়ালা তাঁদের স্বাগত জানিয়েছিলেন। সেই রাতেই শিন মিন ঘুমিয়ে পড়ার পর তাঁর শরীরে প্রথম পেয়ছিলেন ‘ভৌতিক স্পর্শ’।

ঘুম ভেঙে গিয়েছিল শিন মিনের। ঘুম ভাঙতেই তিনি অন্ধকারে একটা ছায়া সরে যেতে দেখেছিলেন শুধু। প্রথম যখন তাঁর শরীরে স্পর্শ পেতে শুরু করেছিলেন শিন মিন, ভেবেছিলেন, তাঁর প্রেমিকই তাঁকে স্পর্শ করছেন। কিন্তু স্পর্শের তারতম্যে ভুল ভাঙে।

তা ছাড়া তিনি দেখেন তাঁর বয়ফ্রেন্ড স্নান করছেন বাথরুমে! তা হলে কে? ছায়া সরে যাওয়ায় তিনি প্রাথমিক ভাবে ভূতই ভেবেছিলেন। এবং এই রকম ঘটনা আরও বেশ কয়েকবার ঘটে। ভূত ভাববার কারণও ছিল। তাঁরা শুনেছিলেন, বাড়িওয়ালা নাকি থাইল্যান্ডে মাঝে মাঝেই পুজো দিতে যান, বাড়িতে বোধ হয় কোনও দোষ আছে।

 কিন্তু এর পরেও তাঁরা সিসিটিভি লাগিয়ে সতর্ক হয়েছিলেন। আর শেষ পর্যন্ত জানা যায়, শিন মিনের বছর চল্লিশের বাড়িওয়ালাই বাইরে থেকে ঘরের আলো নিভিয়ে ঘরে ঢোকে আর শিন মিনের সঙ্গে এই কাজটি করেন। সিঙ্গাপুর পুলিস গ্রেফতার করে অভিযুক্তকে। আদালত পর্যন্ত গড়ায় বিষয়টি।

Back to top button