শীতের দাপট আর কতদিন?

দেশের একাধিক জেলায় প্রবাহিত হচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরণের শৈত্যপ্রবাহ। তবে উত্তরাঞ্চলের প্রায় সব জেলায়ই হাড় কাপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের জনজীবন। দিনে অল্প সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও তাতে কাঙ্ক্ষিত উত্তাপ মিলছে না। বিকেল গড়াতেই তাপমাত্রা নামছে পাল্লা দিয়ে। পাশাপাশি থেমে থেমে বইছে ঠাণ্ডা বাতাস। মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশায় সড়কে-মহাসড়কে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) রাতে আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে দেশের বেশিরভাগ এলাকায়ই শৈত্যপ্রবাহ বইছে। আরো দুইদিন পর শৈত্যপ্রবাহের এলাকা কমতে শুরু করবে। তবে শীত থাকবে।’

 রবিবার শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারিপুর, রাঙ্গামাটি, ফেনী, মৌলভীবাজার, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল এবং ভোলা জেলা ও সীতাকুন্ডু উপজেলাসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরণের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যহত থাকতে পারে।

এ ছাড়া মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তেঁতুলিয়ায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকায় সেখানে তীব্র শীত পড়েছে।

রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঢাকায় ১৩ দশমিক ০, ময়মনসিংহে ১১ দশমিক ২, চট্টগ্রামে ১২ দশমিক ৫, সিলেটে ১১ দশমিক ৯, রাজশাহী ৮ দশমিক ৬, রংপুরে ৯ দশমিক ২, খুলনায় ১১ দমমিক ০ এবং বরিশালে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। পরবর্তী তিন দিনে রাতের তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে।

পূর্বাভাসে আরো বলা হয়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বাড়তি অংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং এর কাছাকাছি বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।এদিন সকাল থেকে ঢাকায় পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। সকালে ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৪ শতাংশ।

Back to top button