১৫৫ রানে জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে এবারের ফেভারিটের তালিকায় আছে ক্ষুদে টাইগারদের নাম। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ যুবারা। আগামী ১৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ। আগামী ১৪ জানুয়ারি শুরু হবে এবারের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ পর্ব। এর আগে আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নেমেছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। যেখানে জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ১৫৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। এ ম্যাচে আগে ব্যাট করে আইচ মোল্লার ৮২, আরিফুল ইসলামের ৪০ রানের সুবাদে স্কোরবোর্ডে ২৭৭ রান জমা করে যুব টাইগাররা। পরে জিম্বাবুয়েকে ১১০ রানে গুটিয়ে দিয়ে বৃষ্টি আইনে ১৫৫ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।

সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে টস জেতে বাংলাদেশ। তবে ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি। ১ রান করেই বিদায় নেন ওপেনার ইফতিখার আহমেদ ইফতি। ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনে নামা প্রান্তিক নওরোজ নাবিল। ২৩ রানে ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ায় আইচ মোল্লা ও আরিফুল ইসলামের ব্যাটে।

দুজনের তৃতীয় উইকেট জুটি থেকে আসে ৬১ রান। ৫২ বল খেলে ৪০ রান করে আরিফুল আউট হলে ভাঙে এই পার্টনারশিপ। চতুর্থ উইকেটে মোহাম্মদ ফাহিমকে নিয়ে ৮১ রানের জুটি গড়েন আইচ। ৩৮ বলে ৩৩ রান করে বিদায় নেন ফাহিম। শতকের স্বপ্ন দেখলেও আশাহত হন আইচ। ৮২ বলে ৮২ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে থামেন তিনি।

পরে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে বসে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। শেষদিকে অধিনায়ক রাকিবুল হাসান ও রিপন মন্ডল ৭৪ রানের জুটি গড়েন। তাদের নবম উইকেট পার্টনারশিপে শেষ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে ২৭৭ রানের পুঁজি বাংলাদেশের। রাকিবুল ৪৫ বলে ৩৬ রান করেন। রিপন ব্যাট থেকে আসে ২৬ বলে ৩৯ রান।

পরে বৃষ্টি বাগড়া দিলেও বাংলাদেশের বড় জয় আটকাতে পারেনি। ২৭৮ রান টপকাতে নামা জিম্বাবুয়েকে শুরু থেকেই চেপে ধরেন বাংলাদেশের বোলাররা। দলীয় ৬৯ রানে মধ্যে ৪টি উইকেট হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

শেষ ২৭ রানের ভেতরেই ৬টি উইকেট হারিয়ে ১১০ রানে অল-আউট হয় জিম্বাবুয়ে। বৃষ্টির কারণে পরে জিম্বাবুয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৫৬ রান। এতে ১৫৫ রানের বিশাল জয় পায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

নাইমুর রহমান নয়ন ১০ ওভারে মাত্র ১৮ রান খরচ করে নেন ৩টি উইকেট। আরিফুল ও মামুন ২টি করে উইকেট পান। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন মুশফিক হাসান, সাকিব ও রিপন।