সরকারের অনুগ্রহপ্রাপ্তদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন হচ্ছে : বাম জোট

সরকারের অনুগ্রহপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিয়েই নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনের আয়োজন চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ। আজ রবিবার এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ কালক্ষেপণ না করে গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর ইসি গঠন, সরকারের পদত্যাগ এবং নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তদারকি সরকার গঠনে কার্যকর রাজনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, পরিকল্পনা ও পছন্দ অনুযায়ী সরকার ও সরকারি দলের আস্থাভাজন ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিতে এমন ব্যক্তি যুক্ত হয়েছেন যিনি ২০১৭ সালে গঠিত ব্যর্থ, অকার্যকর ও দেউলিয়া ইসি গঠনে তখনকার অনুসন্ধান কমিটির সদস্য ছিলেন।

 এমনকি ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হবার জন্য মনোনয়ন চেয়েছিলেন এমন ব্যক্তিকেও সদস্য করা হয়েছে। এতে স্পষ্ট হয়েছে, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সরকারের অনুগ্রহপ্রাপ্ত ও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদিত ব্যক্তিদের নিয়ে আগামী নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করবেন রাষ্ট্রপতি। যা নির্বাচনকেন্দ্রীক সংকটের সমাধান করবে না, বরং সংকট আরো ঘনীভূত করবে বলে তারা দাবি করেছেন।

এমতাবস্থায় নেতৃবৃন্দ নির্বাচন কমিশনসহ নির্বাচনকেন্দ্রীক গোটা সংকট রাজনৈতিক; রাজনৈতিকভাবেই এই সংকট উত্তরণে সরকারকে অবিলম্বে রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতিদাতারা হলেন, বাম জোটের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান,

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, বাসদ (মার্কসবাদী)-এর আহবায়ক মানস নন্দী, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশারেফা মিশু, ওয়ার্কার্স পার্টির (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি হামিদুল হক।

সুত্রঃ কালের কণ্ঠ 

Back to top button