রাশিয়া-ইউক্রেনের বৈঠকে যা হলো

রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পঞ্চম দিনে বেলারুশে বৈঠকে বসেছিল রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদল। তবে সেখানে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের বিষয়ে কোনো সমাধান না আসায় শেষ হয়েছে প্রথম দিনের বৈঠক। প্রথম দিনের বৈঠকে কোনো সমাধান না আসায় দ্বিতীয় দফা বৈঠকে বসতে সম্মত দু-পক্ষই।

দ্বিতীয় দফা বৈঠকের আগে দুদেশের কর্মকর্তারা শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পরামর্শের জন্য নিজ নিজ রাজধানীতে ফিরে যাচ্ছেন বলে বেলারুশের সংবাদ সংস্থা বেলটাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এর আগে বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, দুটি প্রধান দাবি নিয়ে রাশিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করতে গেছেন ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা। সেই দাবিগুলোর প্রথমটি হলো, অনতিবিলম্বে যুদ্ধবিরতির চুক্তি করা। দ্বিতীয়টি হলো ইউক্রেন থেকে রাশিয়ার সব সৈন্যকে প্রত্যাহার করে নেওয়া।

অন্যদিকে বৈঠকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের দখল দাবি করে রাশিয়া। ইউক্রেনও তাদের দুটি দাবি তুলে ধরে। ফলে কোনো ধরণের সমাঝোতা ছাড়াই শেষ হয় প্রথম দিনের বৈঠক। এ বৈঠকের আগে শান্তি আলোচনা নিয়ে কেউই খুব বেশি আশাবাদী ছিলেন না। তবে এখন পরিস্থিতি পাল্টে যেতে পারে অথবা রাশিয়া তাদের আক্রমণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

বৈঠক শেষে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইল পোডোলিয়াক বলেন, ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিরা প্রথম দফা আলোচনা করেছেন। এবারের আলোচনায় তাদের মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিরতি এবং ইউক্রেনের ভূখণ্ডে চলমান যুদ্ধ অবসানের পথ খুঁজে বের করা।

তিনি বলেন, প্রতিনিধিরা এসব বিষয় নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে আলোচনা করে একটি পথ খুঁজে বের করতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয় নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনার বিষয়েও তারা একমত হয়েছেন। এখন তারা পরামর্শ করার জন্য যার যার রাজধানীতে ফিরে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর স্থল, আকাশ ও নৌপথে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী।

Back to top button