বিজিবি’র মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দিলেন মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর নতুন মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ। তিনি ২৮ ফেব্রুয়ারি অপরাহ্নে বিদায়ী মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলামের কাছ থেকে মহাপরিচালকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এ যোগদানের পূর্বে তিনি সেনা সদর দপ্তর-এ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ ২৪ জুন ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ১৮তম দীর্ঘমেয়াদী কোর্সের সাথে পদাতিক কোরে কমিশন লাভ করেন। দীর্ঘ বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি কমান্ড, স্টাফ এবং প্রশিক্ষক পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ জিওসি ১৯ পদাতিক ডিভিশন, কমান্ডার ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড এবং অধিনায়ক ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর এর পরিচালক, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো, একটি পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল স্টাফ অফিসার গ্রেড-১ এবং একটি পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিক্স (SI&T)-এর কমান্ড্যান্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি SI&T এর প্রধান প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে প্লাটুন কমান্ডার এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, মিরপুর-এ সশস্ত্র বাহিনী ওয়ার কোর্সের Directing Staff হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শান্তিরক্ষী হিসেবে তিনি সোমালিয়ায় UNOSOM-II এর কন্টিনজেন্ট সদস্য এবং কঙ্গোতে MONUC- এর ফোর্স লজিস্টিক স্টাফ ছিলেন। জাতিসংঘ মিশনে আইভরি কোস্ট UNOCI-তে BANBAT-3/23 এ কন্টিনজেন্ট কমান্ডারের দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ইমিগ্রেশন এন্ড পাসপোর্ট অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক হিসেবে তিনি অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড ওয়ার স্টাডিজে স্নাতকোত্তর, স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর এবং ডিফেন্স স্টাডিজে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও তিনি দেশে ও বিদেশে অসংখ্য পেশাদার প্রশিক্ষণ কোর্স, সেমিনার এবং সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করেছেন। ডা. শাহনাজ সাকিল তার সহধর্মিণী। তিনি এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক।

Back to top button