কুষ্টিয়ার হাউজিং এ প্রতিবেশীদের সংঘাতে চারজন আহত, উভয়পক্ষের থানায় অভিযোগ

কুষ্টিয়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড হাউজিং এ বøকে পারিবারিক সংঘাতের জেরে ৪জন আহত। উভয়পক্ষের কুষ্টিয়া মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের। গেল ২রা মার্চ বিকেল ৪ টায় হাউজিং মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এ ব্লক বাসা নম্বর ২৫৪-৫৫ নম্বর বাসার সামনে কাঠের ফার্নিচার বানানোকে কেন্দ্র করে পৃথক দুইটি অভিযোগের বাদী মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান বকুল এবং শ্রাবণী আক্তার মিমের পরিবারের সদস্যদের মাঝে প্রথমে ঝগড়া পরবর্তীতে সংঘাতে রূপ নেয়। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ৪জন আহত হয়।
ঘটনার দিন পৃথক লিখিত দুইটি অভিযোগের একটি বাদী শ্রাবণী আক্তার মিম জানান বাসার পার্শ্ববর্তী হাউজিং এ ব্লক ২৫৪-৫৫ বাসার বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান বকুল এবং তার পরিবারের বিবাদী অন্যান্য সদস্যদেরকে ফার্নিচার বানানো মেশিনের শব্দ বন্ধ করার জন্য বললে তাদের মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে এই সংঘাতের ঘটনায় বিপ্লব হসেন পালু এবং কামরান হসেন দোলন গুরুতর আহত হয়। পরিবারের দুই সদস্য আহত এবং নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মোখলেছুর রহমান বকুলকে প্রধান আসামি করে সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
অপর অভিযোগপত্রে মোঃ মখলেছুর রহমান বকুল বাদী হয়ে কামরান হসেন দোলন এবং বিপ্লব হোসেন পালুসহ ৪জনের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একই তারিখে অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগপত্রে বাদী মোখলেছুর রহমান জানান, আমাদের বাড়ির সামনে নিজেদের কাঠের ফার্নিচার বানানোকে কেন্দ্র করে বিবাদী পক্ষ তার বৃদ্ধা মা মোছাম্মদ আনোয়ারা বেগমকে (৭৫) গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তার মা এবং মোসাম্মৎ ময়না খাতুন কে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দিয়ে বেধড়ক কিল-ঘুসি লাথি মেরে জখম করে।
এ ঘটনায় কুষ্টিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম নজু জানান, ঘটনার দিন সকালে মুঠোফোনে মখলেসের ভাই টিপু তাকে অবসর সময়ে ঘটনাস্থলে আসার কথা জানান। তিনি বিকাল আনুমানিক ৪ টার সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কথাবার্তার এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয় সংঘাতের সৃষ্টি হয়। পরে তিনি উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। থানায় উভয়পক্ষের অভিযোগ প্রসঙ্গে ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

Back to top button