যে কারণে ইউক্রেনে পোল্যান্ডের যুদ্ধবিমান পাঠানোর বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র

ইউক্রেনকে যুদ্ধবিমান সহায়তা দিতে প্রস্তুত ন্যাটো সদস্য পোলান্ড। তবে বিশেষ শর্তে কিয়েভে যুদ্ধবিমান পাঠাবে পোলান্ড। পোলান্ডের প্রেসিডেন্টের একজন উপদেষ্টা জানিয়েছেন, ‘তারা ইউক্রেনকে ন্যাটোর কাঠামোর মধ্যে থেকেই যুদ্ধবিমান প্রদান করবেন।’ তবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তা করার জন্য পোল্যান্ডের এমন প্রস্তাবকে নাকচ করেছে পেন্টাগন।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পোল্যান্ডের ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, তারা কিছু মিগ-২৯ নাইন যুদ্ধবিমান জার্মানির মার্কিন ঘাঁটিতে হস্তান্তর করবে এবং আমেরিকার সেগুলোকে ইউক্রেনে পাঠাবে। বিষয়টি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য ইউক্রেনকে বিমান দেয়ার ব্যাপারে পোল্যান্ড যে প্রস্তাব দিয়েছে তা সমর্থন যোগ্য নয়। জার্মানির ন্যাটো ঘাঁটি হতে আমেরিকা যদি বিমান উড়িয়ে ইউক্রেনে নেয় তাহলে পুরো ন্যাটো সামরিক জোটের জন্য তা মারাত্মক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

তিনি আরো বলেন, পোল্যান্ডের এই প্রস্তাব কতটা যৌক্তিক তা আমাদের কাছে একেবারেই পরিষ্কার নয়। এই বিষয়টি কি ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে তা নিয়ে পোল্যান্ড ও ন্যাটো জোটের অন্য সদস্যদের সঙ্গে আমেরিকা পরামর্শ অব্যাহত রাখবে। আমরা মনে করি পোল্যান্ডের এই প্রস্তাব সমর্থনযোগ্য নয়।
পোলান্ডের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা জ্যাকব কুমোচ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় না বিমানগুলো সরাসরি তাদের দেশের ঘাঁটি থেকে ইউক্রেনে যাক। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র পোলান্ডে যুদ্ধবিমান পাঠাতে চায় আর পোলান্ড সেগুলো ইউক্রেনে পাঠাবে। জ্যাকব কুমোচ বলেন, পোলান্ড এটা করতে প্রস্তুত। তবে জোটের নিয়মের মধ্যে থেকেই।

সূত্র : এপি নিউজ, সিএনএন ও পার্সটুডে।

Back to top button