হেরেও শেষ আটে লিভারপুল

বল দখল কিংবা আক্রমণ- গোটা ম্যাচেই ছিল লিভারপুলের আধিপত্য। তবে দাপুটে পারফরম্যান্সেও অ্যানফিল্ডে জয় পায়নি অলরেডরা। ম্যাচের ধারার বিপরীতে ইন্টার মিলানকে জয় এনে দিলেন লাউতারো মার্টিনেজ। মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়নস লীগের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে ১-০ গোলের জয় পায় ইতালিয়ান সিরি আর ক্লাবটি। ম্যাচ হেরেও ইউসিএলের শেষ আটে পৌঁছেছে লিভারপুল।

প্রথম লেগে ইন্টারের মাঠে ২-০ গোলে জয় পায় ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে লিভারপুল। ম্যাচজুড়ে ৬৩ শতাংশ বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের গোলবারের উদ্দেশ্যে ১২টি শট নেয় লিভারপুল। যার মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ২টি।

অপরদিকে ৩৭ শতাংশ বল দখলে রেখে ৬টি শটের ৩টি লক্ষ্যে রাখে ইন্টার মিলান।
ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিট দু’দল আক্রমণে ধার দেখালেও কেউই গোলরক্ষককে পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। ৩০তম মিনিটে দুর্ভাগ্যবশত গোল পায়নি লিভারপুল। বাঁ দিক থেকে ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ডের ফ্রি কিকে জোয়েল মাতিপের হেড ক্রসবারে বাধা পায়। ৪১তম মিনিটে দুর্দান্ত সুযোগ আসে ইন্টারের। তবে ডি-বক্সে ডান দিকের দাগের ঠিক বাইরে থেকে হাকান কালহানোগ্লুর নিচু ফ্রি কিক ঝাঁপিয়ে ঠেকান লিভারপুল গোলরক্ষক আলিসন বেকার।
বিরতি থেকে ফিরে ফের দুর্ভাগ্যের ফাঁদে পড়ে লিভারপুল। ৫২তম মিনিটে দিয়েগো জোতার ডি-বক্সে উঁচু করে বাড়ানো বল এগিয়ে গিয়ে ক্লিয়ার করতে পারেননি ইন্টার গোলরক্ষক। বল ফাঁকায় পেয়ে মোহাম্মদ সালাহ শট নেন। তবে মিশরীয় ফরোয়ার্ডের প্রচেষ্টা বাধা পায় পোস্টে।

প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ লাউতারো মার্টিনেজ ৬০তম মিনিটে লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন। গোল মিসের আক্ষেপ অবশ্য পরের মিনিটেই ঘোচান আর্জেন্টাইন তারকা। সানচেজের পাস ধরে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে দূরের পোস্ট দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন মার্টিনেজ।

লিড নেয়ার দুই মিনিট পরই ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইন্টার মিলান। ৬৩তম মিনিটে থিয়াগো আলকানতারাকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন অ্যালেক্সিজ সানচেজ।
একজন কম নিয়ে খেলা ইন্টারকে পেয়ে চাপ বাড়ায় লিভারপুল। ৭৭তম মিনিটে সফলতাও পেতে যাচ্ছিল অলরেডরা। তবে এবারও বাধ সাধে দুর্ভাগ্য। মোহাম্মদ সালাহর আরো একটি শট পোস্টে লেগে ফেরে।
ইনজুরি টাইমের পঞ্চম মিনিটে লুইস দিয়াজের প্রচেষ্টা স্লাইড করে ফেরান আর্তুরো ভিদাল।

Back to top button