বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা জরুরি: বিএসএমএমইউ ভিসি

থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। একইসঙ্গে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করে আবশ্যিকভাবে রোগ শনাক্তের নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

বুধবার (৯ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি অ্যান্ড থ্যালাসেমিয়া ডে-কেয়ার সেন্টার ও শিশু পালমোলজি ওয়ার্ড এবং মুভমেন্ট ফর থ্যালাসেমিয়া ইরাডিকেশন ইন বাংলাদেশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বিয়ের পাত্র-পাত্রী যদি উভয়ই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হয়, তাহলে সন্তানও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হবে। তাই এ বিষয়ে সচেতন হওয়া দরকার। বিয়ের আগে চক্ষু পরীক্ষা করে নিলেও ভালো হয়। কারণ পাত্র-পাত্রীর উভয়ের চোখের পাওয়ার মাইনাস হলে সন্তানও এই সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে। উপাচার্য আরও বলেন, কোন রোগে কত মানুষ আক্রান্ত, তার সঠিক ডাটা সংগ্রহ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রম আরও বাড়াতে হবে। যারা ভালো গবেষণা করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাদের পুরস্কৃত করা হবে।

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, শিশু হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এটিএম আতিকুর রহমান, উক্ত বিভাগের অধ্যাপক ডা. চৌধুরী ইয়াকুব জামাল, অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল করিম, অতিরিক্ত পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. পবিত্র কুমার দেবনাথ, সহকারী প্রক্টর মো. ফারুক হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (৯ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি অ্যান্ড থ্যালাসেমিয়া ডে-কেয়ার সেন্টার ও শিশু পালমোলজি ওয়ার্ড এবং মুভমেন্ট ফর থ্যালাসেমিয়া ইরাডিকেশন ইন বাংলাদেশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বিয়ের পাত্র-পাত্রী যদি উভয়ই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হয়, তাহলে সন্তানও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হবে। তাই এ বিষয়ে সচেতন হওয়া দরকার। বিয়ের আগে চক্ষু পরীক্ষা করে নিলেও ভালো হয়। কারণ পাত্র-পাত্রীর উভয়ের চোখের পাওয়ার মাইনাস হলে সন্তানও এই সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে।

উপাচার্য আরও বলেন, কোন রোগে কত মানুষ আক্রান্ত, তার সঠিক ডাটা সংগ্রহ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রম আরও বাড়াতে হবে। যারা ভালো গবেষণা করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাদের পুরস্কৃত করা হবে।অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, শিশু হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এটিএম আতিকুর রহমান, উক্ত বিভাগের অধ্যাপক ডা. চৌধুরী ইয়াকুব জামাল, অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল করিম, অতিরিক্ত পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. পবিত্র কুমার দেবনাথ, সহকারী প্রক্টর মো. ফারুক হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Back to top button