গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত

করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১০০ জনে। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩২৭ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯৮ জনে। শনাক্তের হার ১ দশমিক ৯১ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে গতকাল বুধবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৩২৩ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৪৭৯ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৫৫ হাজার ২৪৯ জন। একই সময়ে ১৭ হাজার ৯৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৭ হাজার ১০৩টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৯১ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের ১৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

এদিকে বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ হাজার ৫৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে ভাইরাসটিতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬০ লাখ ৪৩ হাজার ৩ জনের। একই সময় রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৩১ হাজার ৯৪৩ জন। এতে মোট করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যা দাড়ালো ৪৫ কোটি ১০ লাখ ৭৬ হাজার ৮৩৭ জনে।

বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) করোনার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগে গতকাল (বুধবার) ৬ হাজার ৭৯৭ জনের মৃত্যু এবং ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৮৮৩ হাজার জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৪২ হাজার ৪২৭ জন এবং মারা গেছেন ১৫৮ জন। রাশিয়ায় মারা গেছেন ৬৪৫ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ৫৮ হাজার ৬৭৫ জন। যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ২০০ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ২৬৫ জন।

জার্মানিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৭৩ জন এবং মারা গেছেন ২১৬ জন। ব্রাজিলে মারা গেছেন ৬৫২ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ৪৯ হাজার ৭৮ জন। ভারতে মারা গেছেন ১০৪ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ৩ হাজার ৭০২ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭ হাজার ১৫৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১২৩ জনের।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।

Back to top button