বাহরাইনে জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন

যথাযোগ্য মর্যাদায় ও আনন্দমুখর পরিবেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- এর ১০২তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস-২০২২ উদযাপন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস, মানামা। স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন।

দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রদূত দূতাবাসে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। জাতির পিতার জন্মদিনের আনুষ্ঠানিকতায় বিশেষ মাত্রা যোগ করে একটি কেক কাটা হয়। এ দিবস উপলক্ষ্যে দূতাবাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রদূত ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর আত্মত্যাগ, অপরিসীম সাহস, সীমাহীন ত্যাগ-তিতিক্ষা, নেতৃত্ব এবং সঠিক দিকনির্দেশনার ফসল হিসেবে আমরা পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথ অনুসরণ করে তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে রুপান্তর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ছিল শিশুদের প্রতি অকৃত্রিম স্নেহ ও ভালবাসা। তিনি চাইতেন প্রতিটি শিশু বেড়ে উঠুক দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে। রাষ্ট্রদূত বঙ্গবন্ধুর চিন্তা চেতনা, দর্শন ও আদর্শকে বুকে ধারণ করে তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার ক্ষেত্রে সকল প্রবাসীদেরকে একযোগে কাজ করার জন্য আহ্বান করেন।

দিবসটি উপলক্ষ্যে শিশু-কিশোরদের মাঝে কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। রাষ্ট্রদূত আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদেরকে পুরস্কারসহ সনদ প্রদান করেন। পরিশেষে, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের পাশাপাশি বাঙালির স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা এসকল অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

Back to top button